দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রামায়া কৃষ্ণানের ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে পুরোনো এক গুঞ্জন মাঝেমধ্যেই আলোচনায় আসে। পরিচালক কে এস রবিকুমারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল এবং একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন—এমন দাবিও বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব দাবি অতীতে অস্বীকার করেছেন রামায়া ও রবিকুমার দুজনই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৯ সালে কে এস রবিকুমারের পরিচালনায় একটি সিনেমায় কাজ করেন রামায়া। এরপর আরও কয়েকটি কাজে একসঙ্গে যুক্ত হন তারা। সেই সময় দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বলে দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। রবিকুমার তখন বিবাহিত ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ওই সম্পর্ক চলাকালে রামায়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি জানার পর রবিকুমারের পরিবারে জটিলতা তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত রামায়া গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য পরিচালকের কাছে তিনি ৭৫ লাখ টাকা চেয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
তবে সম্পর্ক, অন্তঃসত্ত্বা হওয়া কিংবা গর্ভপাত—এসব দাবির সত্যতা রামায়া কৃষ্ণান বা কে এস রবিকুমার কেউই স্বীকার করেননি। বরং বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমের কাছে এ ধরনের খবর অস্বীকার করেছেন তারা। ফলে বিষয়গুলো প্রতিষ্ঠিত তথ্যের পরিবর্তে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত দাবি হিসেবেই আলোচিত হয়ে আসছে।
পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে পরিচালক কৃষ্ণা বামসিকে বিয়ে করেন রামায়া কৃষ্ণান। তাদের এক পুত্রসন্তান রয়েছে।
দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ রামায়া কয়েক দশকের অভিনয়জীবনে অসংখ্য সিনেমায় কাজ করেছেন। তবে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের কাছে তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি পান এস এস রাজামৌলির ‘বাহুবলি’ সিনেমায় শিবগামী দেবীর চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে।