সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য শনাক্তে সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং কাঠামো

দে
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৯
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য শনাক্তে সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং কাঠামো


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করতে সরকারি তথ্যব্যবস্থায় সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।


বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থের অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।


লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) ইতোমধ্যে সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই কাঠামো গড়ে তুলেছে। পিআইডির প্রধান কার্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় ‘ফ্যাক্টচেকিং ও গুজব প্রতিরোধ কমিটি’ সার্বক্ষণিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।


কমিটির দিকনির্দেশনায় পিআইডির প্রধান কার্যালয় ও বিভাগীয় শহরগুলোর আঞ্চলিক তথ্য অফিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করে। অপতথ্য বা গুজব শনাক্ত হলে সরকারি ফ্যাক্টচেক বার্তা ও স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়।


প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট ‘বাংলাফ্যাক্ট’ এ পর্যন্ত ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং ভিডিও বা রিল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকাশ করা হয়েছে ৩০৬টি।


এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পিআইবি ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। এসব কর্মশালায় ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০টি প্রশিক্ষণে ৭৩৯ জন অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ডিজিটাল সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্যাক্টচেকিং বিষয়ে ১৪টি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


লিখিত জবাবে আরও জানানো হয়, বাংলাফ্যাক্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ও নাম ব্যবহার করে পরিচালিত ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ শনাক্ত করেছে। সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের অনুকরণে অপতথ্য প্রচার করা ১৬টি ওয়েবসাইটও চিহ্নিত করা হয়েছে।


এ ছাড়া বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ৩০০টির বেশি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০টি এক্স অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।


বর্তমানে বাংলাফ্যাক্ট প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচটি দাবির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন, রিল ও ভিডিও প্রকাশ করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।


একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য