1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃষ্টির কাব্যে সজীব হল বাকৃবি ক্যাম্পাস – দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মপ্রকাশ করলো জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ জাবিতে ইনফিউশনের উদ্যোগে ‘আইলো রে বৈশাখ ১৪৩৩’ বর্ণিল বৈশাখ উদযাপন কার্টুন শেয়ারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ হাসনাতের, ব্যাখ্যা দিলেন চিফ হুইপ শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন “দ্য আনবিটেন ৮২” জেডি ভ্যান্স ছাড়াই ইসলামাবাদে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে বদল বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছাল, ৫ মে নতুন দিন বেগমগঞ্জে নাল জমিতে মাটি কাটার অভিযোগে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা ইরান যুদ্ধবিরতি ভাঙছে, তবু শান্তি চুক্তি হবে : ট্রাম্প শ্রীপুরে রাস্তার মাঝে খুঁটি যেন মরণফাঁদ: গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের 

বৃষ্টির কাব্যে সজীব হল বাকৃবি ক্যাম্পাস

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫

বাকৃবি প্রতিনিধি : সবুজে ঘেরা ব্রহ্মপুত্র পাড়ের প্রিয় ক্যাম্পাস—বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। গত কয়েকদিন ধরে প্রখর রোদ আর দাবদাহে হাঁসফাঁস করছিল চারপাশ। গাছপালা থেকে শুরু করে মানুষ—সবাই যেন অপেক্ষায় ছিল এক ফোঁটা প্রশান্তির বৃষ্টির। সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ ভোরে আকাশ যেন হঠাৎ করেই নিজেকে উজাড় করে দেয়। নেমে আসে শান্তিময় বৃষ্টি, যার শব্দেই ঘুম ভাঙে ক্লান্ত শিক্ষার্থীদের। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে স্নিগ্ধতা, মুছে যায় গরমের ক্লান্তি। বৃষ্টির পরশে সবুজ আবার প্রাণ ফিরে পায়, আর ক্যাম্পাস জেগে ওঠে এক নতুন উচ্ছ্বাসে।

মাঠঘাট, গাছপালা আর হলের বারান্দা ভিজিয়ে দিয়ে আজকের বৃষ্টি শুধু প্রকৃতিকেই নয়, প্রাণভরে শীতলতা দিয়েছে বাকৃবির মানুষগুলোকেও।

বাকৃবির শিক্ষার্থী মাসুম বিন সিদ্দিক বলেন,”গত কয়েকদিন ধরেই ক্লাসে মন বসছিল না। শরীর যেন ক্লান্ত আর মন অবসন্ন। আজ সকালবেলা ঘুম ভাঙতেই দেখি জানালার বাইরে মেঘের নাচ আর টুপটাপ শব্দ। বুঝলাম বৃষ্টি এসেছে। সত্যি বলছি এমন অনুভূতি বহুদিন হয়নি। মনে হলো প্রকৃতি যেন আমাদের সঙ্গে কথা বলছে। মনে হলো যেন জান্নাতের অনুভূতি পেলাম।”

আরেক শিক্ষার্থী তাসনিম মাহমুদ বাতেন জানান, “সকালটা ছিল ঠিক উপন্যাসের মতো। নরম হাওয়া, মাটির গন্ধ আর গাছপালার শীতলতা, পুরো ক্যাম্পাস যেন কোনো কাব্যিক দৃশ্যপট। এমন দিনে বই পড়া আর ছাদে উঠে প্রকৃতির গান শোনা। এই তো চাই জীবনের আসল স্বাদ!”

হাসিবুর রহমান নুরু নামের এক শিক্ষার্থী তার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, “বৃষ্টির পর মাঠের ঘাসে শিশির জমে ছিল। পায়ে হেঁটে যেতে যেতে ভিজে যাচ্ছিল পায়ের আঙুল। অথচ বিরক্তি নয় বরং মন জুড়িয়ে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এই বাকৃবির প্রতিটি বৃক্ষ যেন বৃষ্টিকে স্বাগত জানাচ্ছে একান্ত আপনজনের মতো।”

বৃষ্টি শেষে ক্যাম্পাসের চিরচেনা পথগুলোও পেয়েছে নতুন রূপ। সকাল বেলা ক্লাসে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে ছিল প্রশান্তির হাসি। হলের ব্যালকনিতে ভিজছিল কেউ, কেউ আবার বই হাতে জানালার পাশে বসে উপভোগ করছিল প্রকৃতির কবিতা।

এই স্বস্তির বৃষ্টি যেন স্মরণ করিয়ে দেয় প্রকৃতি কখনো কখনো নিঃশব্দে আমাদের শ্রান্তি বোঝে, ক্লান্তিকে ঘোচায়, আর তার রূপেই মিশিয়ে দেয় নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরণা।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সকাল তাই শুধুই বৃষ্টি নয় এটি যেন জীবনের এক নিঃশব্দ উৎসব।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park