1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাবি শিক্ষার্থীর মাথাপিছু বরাদ্দ ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক রাত ২টায় নেদারল্যান্ডস-জাপান মহারণ, এগিয়ে কারা? আগামীকাল থেকে বাজারে আসছে হাঁড়িভাঙ্গা আম, অবকাঠামোগত সংকটে উদ্বিগ্ন চাষি-ব্যবসায়ীরা লাকসামে ডেন্টাল চিকিৎসককে জড়িয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার জয়, তবু সিরিজ বাংলাদেশের ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ ওসি প্রত্যাহার গলাচিপায় স্কুল ফিডিং দেওয়া হচ্ছে তেঁতো স্বাদের ডিম  বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা সভা পিরোজপুররের মঠবাড়িয়ায় ২০০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

মমতার দল কি ভাঙনের দিকে এগোচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস এবার অভ্যন্তরীণ সংকট ও ভাঙনের জল্পনায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের পর দলটির ভেতরে অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তার পক্ষে ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রায় ৪০.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ৮০টি আসনে জয় লাভ করে। তবে নির্বাচনের পরপরই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের স্বাক্ষর সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা-কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকেই দলের একটি অংশ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের একটি বড় ইঙ্গিত পাওয়া যায় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবনির্বাচিত ৮০ জন বিধায়ককে বৈঠকে ডাকলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২০ জন। এই ঘটনা দলের সাংগঠনিক ঐক্য নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

বহিষ্কারের কয়েকদিন পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন। তার সঙ্গে কয়েকজন বিধায়কও ছিলেন। তিনি নিজেকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস এখন দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তৃণমূলকে ভাঙা সম্ভব নয় এবং দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

এদিকে দলের ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনাও বাড়ছে। বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ভূমিকা নিয়ে কিছু নেতা ও কর্মীর মধ্যে অসন্তোষের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। নির্বাচনী পরাজয়ের পর এ অসন্তোষ আরও দৃশ্যমান হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সম্প্রতি দিল্লি সফরে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে জল্পনা তৈরি হলেও তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিজেপিও জানিয়েছে, অন্য দল থেকে নেতা ভাঙিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বহিষ্কৃত নেতাদের পক্ষে যদি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন সত্যিই থেকে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে আরও বড় ধরনের সাংগঠনিক সংকট তৈরি হতে পারে। যদিও বর্তমানে দল ভাঙনের দাবিগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park