বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তবে আদালত তার ওপর একাধিক শর্ত আরোপ করেছে।
স্থানীয় আদালত গত ২৭ জুলাই তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করলে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৩০ জুলাই তিনি কারামুক্ত হন।
কারামুক্তির পর বেনজীর আহমেদ বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তবে চলমান আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে চান না।
দুবাইয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জামিনের শর্ত অনুযায়ী বেনজীর আহমেদের পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এছাড়া আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।
জানা গেছে, শুনানিতে বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য আইনি বিষয় আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এসব বিবেচনায় নিয়েই আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। তবে এ বিষয়ে এখনো দুবাই কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি।
অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাইয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বর্তমানে এসব অভিযোগে বাংলাদেশের আদালতেও তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদ ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি র্যাবের মহাপরিচালক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ছিলেন। ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।