ফিফা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রতিযোগিতার অংশীদারত্ব বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাবে বলেছে, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না।’ একই সঙ্গে সংস্থাটি জানিয়েছে, বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে অংশীদারত্ব নিয়ে তাদের পরিকল্পিত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) আনাদুলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফিফার পরিচালনা পর্ষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এফএফই (FFE) প্রস্তাব নিয়ে জনসমক্ষে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তারা তা সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং এ বিষয়ে উন্মুক্ত ও গণতান্ত্রিক আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ফিফার ২১১ সদস্য সংগঠনের মধ্যে অন্তত ১০৬টি ভোট প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাকাফ এবং ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা–এর সম্মিলিত ভোট সংখ্যা ৯৬। ফলে প্রস্তাবটি পাস করাতে এই দুই সংস্থার সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ফিফা আরও দাবি করেছে, গণমাধ্যমের কিছু বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের কারণে তাদের পরিকল্পিত আলোচনা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। তবে তারা সদস্য সংগঠনগুলোর কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য তুলে ধরে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবে। সংস্থাটির ভাষ্য, এফএফই-এর লক্ষ্য ফুটবলকে বেসরকারীকরণ করা নয়; বরং খেলাটির উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা।
এফএফই প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনসংক্রান্ত কার্যক্রম একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অধীনে পরিচালিত হবে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে ফিফার মালিকানাধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে। এ থেকে অর্জিত অতিরিক্ত বাণিজ্যিক আয় ফিফার সব সদস্য সংগঠনের মধ্যে বণ্টন করা হবে।
ফিফার পরিচালনা পর্ষদ জোর দিয়ে বলেছে, বাইরের কোনো বিনিয়োগকারী ফিফা বা এর কোনো প্রতিযোগিতার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। সদস্য সংগঠনগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেলেই কেবল এফএফই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।