সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, ধৈর্য ধরুন : মির্জা ফখরুল – দৈনিক দেশেরকথা
arif khanh
১০ মার্চ ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, ধৈর্য ধরুন : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচন পূর্ব অঙ্গীকার যে জনগণের সঙ্গে  তা পূরণ করবার পথে চলছে। আল্লাহতালার কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। ফ্যামিলী কার্ড হচ্ছে একটা শক্তি- ক্ষমতা। এই কার্ডটা আপনাকে সেই ক্ষমতা দিবে যেটা ক্ষমতা দিয়ে আপনারা সকলের সামনে দাড়াতে পারবেন। শুধুমাত্র আর্থিক ও অন্যান্য সুযোগাবেন তা না, আপনি এ দেশের একজন নারী হিসেবে  পরিবারের প্রধান হিসেবে আপনার অবস্থান থেকে দৃঢ় করতে পারবেন। একটা শক্তি আসবে আপনাদের মাঝে। অন্যদিকে পুরুষেরা মা বোনদের বুঝতেই চায় না আর যখনই কার্ড আসবে, তখনই বুঝতে শুরু করবে। এটাই হলো আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, সারা দেশের মধ্যেই মাত্র ১৪টি ইউনিয়নে  আমরা প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যকর্ম শুরু করেছি। তবে মা বোনেরা সকলেই   ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এমনকি জেলা প্রশাসক (ডিসি) তিনিও পাবেন যেহেতু তিনি নারী। এই কার্ড প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম এটাই আমার শেষ নির্বাচন এবং আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের এই ঋণ শোধ করবার  ভাষা আমার জানা নাই। আমি কিছু কাজ করি আপনাদের সমস্যা সমাধান করে আমি এই ঋণ শোধ করতে চাই। আপনারা জানেন এরই মধ্যে  একটি মেডিকেল টিম এসেছিল। ইনশাল্লাহ আগামী অর্থবছরে মেডিকেলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হবে। আমাদের ইউনিভার্সিটির আইন হয়ে গেছে, এখন শুধু  ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ করে জায়গা নির্ধারণ করে সেটাও চালু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং এয়ারপোর্টও চালু হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করেছি। এই অঞ্চলে কৃষক বেশি। এখানে কৃষি কাজ বেশি হয়। অন্যকোন কাজ তেমন নেই, কলকারখানা নেই কৃষিই একমাত্র মুল চাকা। তাই আমাদের কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে এলাকার কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আরেক টা কথা বলেছিলাম সেটা হলো আমাদের শিক্ষিত ছেলে-মেয়ের আইটি ট্রেনিং দিতে চাই। যাতে তারা ঘরে বসে মাসে ২/৩ লাখ টাকা আয় করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মাদক। আমাদের যুবক ছেলেরা মাদকের ঝুকে যাচ্ছে। ভুল পথে চলে যাচ্ছে। এজন্য শুধু পুলিশ-প্রশাসন নয় আপনাদেরকেও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মা-বাবাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সবাইকে মাদককে না বলি।

মহাসচিব বলেন, আমার শেষ কথা।  আপনারা হতাশ হবেন না। সে কার্ড পেল আমি কেন পেলাম না এটা ভাববেন না।  আপনারা সবাই পাবেন, শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আপনার এটুকু বিশ্বাস করেন আমাদের আর অন্য কোন ইস্যু নাই। অন্যদের মতো ঢাকায় বাড়ি ও বিদেশে গিয়েও বাড়ি-গাড়ি করবো না। যতদিন আছি শুধু জনগণের কাজ করে যাব।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কিশোরগঞ্জে উন্নত পুষ্টি চর্চা প্রসারে স্বাস্থ্যকর শিশুদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

শ্রীপুরে ৩ কোটি টাকার খাল খননে ‘হরিলুট’: উচ্ছেদ ছাড়াই কাজ শেষ করার অভিযোগ

মালয়েশিয়ার উষ্ণ আতিথেয়তায় মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন কৃতজ্ঞতা

নবীনগরে ডাকাতের কথায় নিরাপরাধ ব্যবসায়ীকে পুলিশের ফাঁসানোর অভিযোগ

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কাবাডি ও হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে নেই কুবি

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় লক্ষাধিক চিংড়ির রেণু পোনা জব্দ, ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী, এরপরই চীন সফর

মাভাবিপ্রবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ইউজিসিতে লিখিত অভিযোগ ‎

জিয়াউর রহমান দেশকে করেছিলেন ঐক্যবদ্ধ আর শেখ মুজিব করেছিলেন বিভক্ত” – মাভাবিপ্রবি সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী টুকু

ডাকাতদের হামলায় আহত মুরাদনগরের এসিল্যান্ড, ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন

১০

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা দল হিসেবে আবারও শীর্ষে ব্রাজিল

১১

বিতর্কের মুখে বগুড়ার দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১২

মুখ ঢেকে কথা বলায় বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড দেখলেন আলমিরন

১৩

টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকে ছাগল উদ্ধার করতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

১৪

গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন কাইল্লা পলাশ

১৫

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

১৬

বিদেশে কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রুমিন ফারহানার

১৭

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

১৮

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৬৬৬

১৯

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

২০