গ্রিসে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশির ভাগ বাংলাদেশি ও সুদানি

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৩
গ্রিসে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশির ভাগ বাংলাদেশি ও সুদানি


গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রিট দ্বীপে অভিবাসীদের আসা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার কয়েকটি নৌযানে করে অন্তত ২০২ জন অভিবাসী দ্বীপটিতে পৌঁছেছেন। তাদের বেশির ভাগই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক। এ ছাড়া কয়েকজন মিসরের নাগরিকও রয়েছেন।


গ্রিসের স্থানীয় সংবাদপত্র দিমোক্রাতিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে লিবিয়ার উপকূল থেকে যাত্রা করা কয়েকটি নৌযানে করে এসব অভিবাসী ক্রিটে পৌঁছান। এতে দ্বীপটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও অভিবাসীদের রাখার কেন্দ্রগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।


বৃহস্পতিবার সকালে নতুন একটি নৌযানে করে আরও ৪০ জন অভিবাসী ক্রিটের ইয়েরাপেত্রা এলাকার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পৌঁছান। ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা (ফ্রন্টেক্স) একটি উড়োজাহাজ থেকে নৌযানটি শনাক্ত করার পর বিষয়টি গ্রিক কর্তৃপক্ষকে জানায়।


পরে গ্রিক উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি টহলদল একটি মাছ ধরার নৌকার সহায়তায় অভিবাসীদের ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়।


এর কয়েক ঘণ্টা আগেও দুটি নৌযানে করে ১১২ জন অভিবাসী ইয়েরাপেত্রায় পৌঁছান। প্রথম নৌযানে ছিলেন ৫৬ জন। তাদের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশি ও ৩১ জন সুদানের নাগরিক। দ্বিতীয় নৌযানেও ছিলেন ৫৬ জন। তাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি ও ৯ জন মিসরের নাগরিক।


পরে এই ১১২ জনসহ নতুন করে আসা অভিবাসীদের হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রে নেওয়া হয়। ক্রিটে অভিবাসীদের আসার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটি তাদের অস্থায়ীভাবে রাখার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।


এদিকে, দক্ষিণ সুদানের ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে গ্রিসের কর্তৃপক্ষ। এর আগে ইয়েরাপেত্রা থেকে প্রায় ২৮ দশমিক ৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি অভিযানে ৫০ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কিশোরটিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


অভিবাসীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ওই কিশোর লিবিয়ার তবরুক শহর থেকে গ্রিসের দিকে যাওয়ার সময় নৌযানটি চালাচ্ছিল।


জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার জন্য প্রত্যেক অভিবাসীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার মার্কিন ডলার নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।


লিবিয়ার উপকূল থেকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে অভিবাসীদের আসার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়ছে। এতে দ্বীপটির কর্তৃপক্ষের ওপর উদ্ধার, নিবন্ধন, পরিচয় যাচাই এবং অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার চাপও বাড়ছে।


সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য