প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি মনে করেন, এ সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুগোপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীলতার পথ থেকে বের করে এনে একটি আত্মনির্ভর, সক্ষম ও টেকসই রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বর্তমান সরকারের আমলে দেশবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং এ ধরনের ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
বিরোধী দলের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, যারা দেশে নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছেন, তাদের কর্মকাণ্ডেই প্রকৃত ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়। তার দাবি, বর্তমানে দেশে গুম বা ক্রসফায়ারের মতো ঘটনা নেই এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলারও অবসান ঘটেছে।
রিজভী আরও বলেন, জুলাইয়ের গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে চলছে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন