৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট; রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি।
আজ সোমবার বিকেল ৩টায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন সরকারের অন্তর্বর্তী অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার ও বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বাজেট উপস্থাপন সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।
চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা কম। অর্থনীতির চাপ, রাজস্ব ঘাটতি ও বৈশ্বিক মন্দার প্রেক্ষাপটে এ বাজেটকে বাস্তবভিত্তিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ৩.৬ শতাংশ, যা বিগত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন।
উন্নয়ন ব্যয় (এডিপি) এর আওতায় বরাদ্দ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা কম। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান প্রকল্পগুলোর গুণগত অগ্রগতি নিশ্চিত করাই এবারের লক্ষ্য।
বাজেটের প্রধান অগ্রাধিকার:
কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশেষ গুরুত্ব, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, উচ্চ আয় শ্রেণির জন্য ৩০% কর হার পুনঃপ্রবর্তনের প্রস্তাব, কিছু খাতে ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর (AIT) বৃদ্ধির প্রস্তাব।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি লক্ষ্য:
সরকার চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৫ শতাংশ এবং মুদ্রাস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ বাজেট বাস্তবধর্মী হলেও চ্যালেঞ্জ থাকবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে রাজস্ব আদায় ও সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন