এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত

দে
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৪
এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৪২১ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের অতিরিক্ত প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে সরকার। সম্প্রতি হালনাগাদ করা এসডিজি অর্থায়ন কৌশলের পর্যালোচনায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে অ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালা’-এ এ তথ্য জানানো হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগড. সেলিম রায়হা। তিনি জানান, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। এই অর্থের বড় অংশ দেশীয় সরকারি ও বেসরকারি উৎস, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

ইআরডি জানায়, কর্মশালায় ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) প্রতিবেদনের ফলাফল এবং হালনাগাদ এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনা করা হয়। ডিএফএ একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্লেষণ কাঠামো, যা জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে অর্থায়ন নীতি, প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রবাহের সমন্বয় জোরদারে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের বাকি সময় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অর্থায়নের বড় ঘাটতি, সীমিত সময় এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশ অর্থবহ অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ জন্য সুস্পষ্ট অগ্রাধিকার, সমন্বিত উদ্যোগ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমনক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক বলেন, বৈশ্বিকভাবে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ কমে আসছে। এ পরিস্থিতিতে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে নিজস্ব উৎস থেকে অর্থায়ন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

ইউএনডিপির উপ-আবাসিক প্সোনালি দয়ারত্নে বলেন, অর্থায়নের ঘাটতি পূরণে কার্যকর নীতি ও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। পরিকল্পনার শুরু থেকেই সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত এবং নাগরিক সমাজকে সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

কর্মশালায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংকিং খাত, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) এবং এসডিজি অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত করা হবে।রতিনিধি ্বয়কারী তব্যে ইআরডি সচিব নের অধ্যাপক নুষ্ঠিত ়ন


সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য