1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে না পারলে দুদকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা:সতর্ক হাইকোর্ট – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারায় জিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন: কৃষিতে ফিরবে প্রাণ, মিটবে জলাবদ্ধতা খানপুরে অভিযানে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার টেন্ডার অনিয়মের মূল হোতা নরসিংদীর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল জারি পরকীয়ার টানাপোড়েনে যুবক হত্যা, গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল মরদেহ রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত, পরিবারে শোকের মাতম নোয়াখালীতে এসিল্যান্ড-তহশিলদারসহ ৯জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা জটিলতা কাটিয়ে সরকার গঠনের পথে থালাপতি বিজয় গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ মরদেহের পাশে ছিল চিরকুট, যা লিখা ছিল তাতে কোনো ধর্মকে টার্গেট করে ক্ষতি না করার আহ্বান জানানো হবে ভারত সরকারকে: জামায়াত আমির

তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে না পারলে দুদকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা:সতর্ক হাইকোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২

বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দায়ের হওয়া ৫৬ মামলার তদন্ত শেষে করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে না পারলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির ১২ মামলার আসামি মোহাম্মদ আলীর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আসামির পক্ষে আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন, দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানি করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বেসিক ব্যাংকের শান্তিনগর শাখায় ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ আলী। তার সময় ব্যাংকের এই শাখা থেকে ৩৬২ কোটি ৭০ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাকে আসামি করে মামলা করে দুদক। মোহাম্মদ আলী তিন মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত ৮ নভেম্বর তার জামিন শুনানিতে বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলার হালনাগাদ তথ্য চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। সে অনুসারে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর বেসিক ব্যাংকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ৫৬টি মামলা করে দুদক। দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলোর তদন্ত চলছে। আত্মসাতকৃত অর্থ সম্পূর্ণ নগদ উত্তোলন করে টাকার অবস্থান গোপন করায় তদন্তে এত দীর্ঘ সময় লাগছে বলে মনে করছে দুদক। সংস্থাটি জানায়, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের শনাক্তকরণ ও তাদের জবানবন্দী গ্রহণ (১৬১ ধারায়) কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সব সাক্ষীর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ৫৬ মামলায় আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে ১১৫ দশমিক ৭৮ কোটি টাকা উদ্ধার বা ব্যাংকে জমা করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park