সারা দেশে কয়েকদিন ধরে চলমান তীব্র গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই তাপমাত্রা কমার সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, রবিবার (৫ এপ্রিল) সারাদেশে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। বর্তমানে দেশের ১৫ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, তবে তা ধীরে ধীরে প্রশমিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামীকাল সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এর ফলে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।
এদিকে টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও পটুয়াখালী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে যে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের সব বিভাগে কমবেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর সঙ্গে কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে মঙ্গলবার সারা দেশে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। বুধ ও বৃহস্পতিবারও তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমতে পারে এবং শেষের দিকে আবার তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, যা ছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে ৫০ মিলিমিটার।
মন্তব্য করুন