1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
জরাজীর্ণ টাংগাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খানপুরে অভিযানে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার টেন্ডার অনিয়মের মূল হোতা নরসিংদীর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল জারি পরকীয়ার টানাপোড়েনে যুবক হত্যা, গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল মরদেহ রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত, পরিবারে শোকের মাতম নোয়াখালীতে এসিল্যান্ড-তহশিলদারসহ ৯জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা জটিলতা কাটিয়ে সরকার গঠনের পথে থালাপতি বিজয় গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ মরদেহের পাশে ছিল চিরকুট, যা লিখা ছিল তাতে কোনো ধর্মকে টার্গেট করে ক্ষতি না করার আহ্বান জানানো হবে ভারত সরকারকে: জামায়াত আমির কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের পুকুরে ডুবে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু 

জরাজীর্ণ টাংগাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মানুষ রোগ ব্যধিতে আক্রান্ত হলে সুস্থ হওয়ার জন্য হাসপাতালের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু বর্তমান  হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখলে বোঝা যায় তারা সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে যেন নতুন রোগ নিয়ে বাড়ি ফিরছে। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবস্থা যদি বলি, এটি এতোটাই বেহাল দশায় যে এখানে সুস্থ মানুষের অসুস্থ হওয়ার উপক্রম হয়। অসুস্থ রোগীর সাথে আসা স্বজনরাই রোগী হয়ে বাড়ি ফেরেন এখন থেকে। নতুন বহুতলা বিশিষ্ট ভবনটিতে ৭/৮ টি লিফট থাকলেও চালু থাকে ১/২ টি, বাকি সবগুলোই নষ্ট। ফলে লিফটে উঠা নামা করাটা যেন একপ্রকারের যুদ্ধ। মেডিসিন, নেফ্রোলজি, নিউরোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ৮/১০ তলায় হওয়ায় জরুরি কোনো ঔষধের জন্য নিচে নেমে আবার উপরে যেতে ঘন্টা পার হয়ে যায়। রোগী, সাধারন মানুষ, মৃত মানুষ, খাবার এবং ঔষধ সব এক লিফটেই উঠানামা করানো হয়। মেডিসিন বিভাগের রোগীর চাপ এতো বেশি যে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় রোগীদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বারান্দা এবং সিঁড়ির আশেপাশের জায়গায় নিচে থাকতে হয়। প্রতি তলায় ওয়াশরুম অপরিষ্কার ও অকেজো যা প্রায় ব্যবহারের অযোগ্য। ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন, খাবারের বিশুদ্ধ পানির কোনো ব্যবস্থা নেই ভবনে। ভবনের বাইরে বেশ দূর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়াও দক্ষ জনবলের অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এখনো চালুই হয়নি। এসব তো ভর্তি রোগীদের দুর্ভোগের কথা, যারা শুধু ডাক্তার দেখাতে আসেন তাদেরও কাউন্টারে নানা সমস্যায় পরতে হয়। যেহেতু দুপুর ঠিক ১২ টায় কাউন্টার অফ করে দেয়, ফলে ২-৩ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট না পেয়ে বিনা চিকিৎসায় ফেরত যেতে হয় অনেক দূর দূরান্তরের রোগীকে। রোগীদের যেন সমস্যার শেষ নেই এখানে। সার্বিকভাবে বলা যায়, নতুন হাসপাতালটির এমন অবস্থা যেন তা নিজেই বয়সের ভারে আক্রান্ত। 

তাই এইসকল সমস্যার দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park