প্রত্যন্ত জনপদে শিক্ষা বিস্তারে প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসাইনের দীর্ঘ পথচলা

দে
মো জহিরুল ইসলাম
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮
প্রত্যন্ত জনপদে শিক্ষা বিস্তারে প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসাইনের দীর্ঘ পথচলা

একটি প্রত্যন্ত জনপদ। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে বেড়ে ওঠা। সেই পরিবেশ থেকেই শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সেই স্বপ্ন শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন দীর্ঘ পথ। শিক্ষকতাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কল্যাণ এবং এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন বছরের পর বছর।


তিনি মুহাঃ মোশাররফ হোসাইন। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারের জন্য বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার নানা কাজে যুক্ত থেকেছেন।


যে মাটিতে শৈশব, সেখান থেকেই স্বপ্নের শুরু


১৯৭৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ছোনখোলা গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে জন্ম মোশাররফ হোসাইনের। বাবা মো. জয়নাল আবেদীন এবং মা মোসা. সুফিয়া খাতুন।


গ্রামের পরিবেশে বেড়ে ওঠা মোশাররফের শিক্ষাজীবনের শুরু দক্ষিণ ছোনখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর লামনা ছালেহিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় শুরু হয় তাঁর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা। দাখিল, আলিম, ফাজিল ও ডিগ্রি পেরিয়ে উচ্চশিক্ষার পথেও এগিয়ে যান তিনি। অর্জন করেন বিএড ও মাস্টার্স ডিগ্রি।


শিক্ষার প্রতি সেই আগ্রহই একসময় তাঁকে নিয়ে আসে শিক্ষকতা পেশায়।


শিক্ষকতা যখন চাকরি নয়, দায়িত্ব


শিক্ষাজীবন শেষে গলাচিপার লামনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন। ধীরে ধীরে শিক্ষকতা তাঁর কাছে কেবল চাকরি নয়, দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার জায়গা হয়ে ওঠে।


পরবর্তীতে গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই বিদ্যালয়টির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে নানা উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি।


একটি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন যে শুধু পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা নিজের কর্মের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি। শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর, ভোকেশনাল শিক্ষা এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে তাঁর সময়কালে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে।


প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে পাশে বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন কলেজ


শিক্ষা বিস্তারে মোশাররফ হোসাইনের ভূমিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন কলেজ। ২০০৩ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার সময় থেকেই তিনি এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন।


কলেজ প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে বিভিন্ন অফিসিয়াল ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজে তিনি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।


২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ এক দশক তিনি বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন কলেজের অবৈতনিক অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় কলেজটির প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে কাজ করেন তিনি।


শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন নয়, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর দায়িত্বকালে কলেজের বিভিন্ন শিক্ষক ও কর্মচারীর নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে তাঁদের এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়াতেও তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেন।


কলেজ প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় ধরে এর বিভিন্ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তিনি সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষকে সহযোগিতা করেন। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কলেজের বিভিন্ন কাজে অধ্যক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করার কথাও তাঁর কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে উঠে আসে।


একটি প্রত্যন্ত এলাকায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে যে দীর্ঘ প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক পথ পাড়ি দিতে হয়, বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা সেই শ্রমেরই একটি দৃষ্টান্ত।


বিদ্যালয় উন্নয়নেও ধারাবাহিক উদ্যোগ


গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে।


গুয়াবাড়িয়া এ বি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফায়েল খায়ের ভবন নির্মাণেও তাঁর উদ্যোগ ও সম্পৃক্ততা রয়েছে। ছয় কক্ষবিশিষ্ট এ ভবন বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নকে তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, নিরাপদ পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহও বাড়ে।


বদলে যাচ্ছে গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চিত্র


বর্তমানে গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শ্রেণিকক্ষের সুযোগ বৃদ্ধি, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ভোকেশনাল শিক্ষার সুযোগ তৈরি এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


বিদ্যালয়ের উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগের অন্যতম দৃষ্টান্ত ০৬ কক্ষবিশিষ্ট ফায়েল খায়ের ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা। আইডিবির সহযোগিতায় ভবনটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।


এসএসসি ভোকেশনাল শাখার জন্যও অবকাঠামো তৈরিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে ভবন নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে চারতলা ভিত বিশিস্ট নতুন ভবনের প্রথম তলার নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে সেখানে শ্রেণি কার্যক্রম চলছে।


বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণেও রয়েছে তাঁর উদ্যোগ। প্রায় ৪০০ ফুট সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠের উন্নয়ন, ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং অসমাপ্ত সীমানা প্রাচীর নির্মান কাজ শেষ করার বিষয়গুলোও রয়েছে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়।


নিজের প্রতিষ্ঠান ছাড়িয়ে শিক্ষক সমাজের পাশে


মোশাররফ হোসাইনের কর্মপরিধি শুধু নিজের বিদ্যালয়ে সীমাবদ্ধ নয়। ১৯৯৪ সাল থেকে গলাচিপা উপজেলা শিক্ষক সমিতির সঙ্গে যুক্ত থেকে শিক্ষক সমাজের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি।


বর্তমানে গলাচিপা উপজেলা প্রধান শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষক অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে।


তাঁর কাছে শিক্ষকের মর্যাদা মানে শুধু একটি পদ নয়; শিক্ষকের হাতে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে তিনি একই সূত্রে দেখেন।


দরিদ্র শিক্ষার্থীর মুখের হাসিই বড় প্রাপ্তি


শিক্ষার সুযোগ থেকে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না পড়ে, এমন প্রত্যাশা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের শিক্ষাজীবনে সহযোগিতা করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।


তাঁর ভাবনায় শিক্ষা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার বিষয় নয়। শিক্ষা একজন মানুষকে মানবিক, দায়িত্বশীল ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ করে তুলবে, এমন প্রত্যাশাই তাঁর।


ঘরেও শিক্ষার আবহ


মোশাররফ হোসাইনের পারিবারিক জীবনেও রয়েছে শিক্ষার ছাপ। ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসে রিনা পারভীনের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তাঁর স্ত্রীও শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।


তাঁদের তিন সন্তানই পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত। বড় ছেলে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত, দ্বিতীয় ছেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়ছেন এবং ছোট ছেলে চট্টগ্রাম নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যয়নরত।


অসমাপ্ত কাজ শেষ করার স্বপ্ন


দীর্ঘ কর্মজীবনে অনেক কিছু অর্জন করেছেন মোশাররফ হোসাইন। তবে তাঁর কাছে কাজ শেষ হয়ে যায়নি। বরং বিদ্যালয়ের অসমাপ্ত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ভবনের সম্প্রসারণ, মাঠের উন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে।


একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, শিক্ষক সমাজের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ও রয়েছে তাঁর।


একটি মানুষ, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান, একটি বড় স্বপ্ন


একজন শিক্ষকের প্রকৃত সাফল্য শুধু কতজন শিক্ষার্থীকে তিনি পড়িয়েছেন, সেই সংখ্যায় মাপা যায় না। তাঁর কর্মের প্রভাব কতদূর বিস্তৃত হয়েছে, কতজন শিক্ষার্থীকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, কতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাঁর শ্রমে শক্ত ভিত্তি পেয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।


মুহাঃ মোশাররফ হোসাইনের দীর্ঘ কর্মজীবনের দিকে তাকালে সেই বিস্তৃত পথচিত্রই সামনে আসে। প্রত্যন্ত গ্রামের একজন শিক্ষার্থী থেকে শিক্ষক, শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক, আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত একজন সংগঠক হিসেবে তাঁর যাত্রা দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক।


বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন কলেজ প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকা, এক দশক অবৈতনিক অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির কাজে ভূমিকা রাখা, গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করা—সব মিলিয়ে তাঁর কর্মজীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি বিষয়ই: শিক্ষার প্রসার।


গুয়াবাড়িয়া এ.বি. বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রতিদিন যখন নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা বই খুলে বসে, তখন সেখানে শুধু পাঠদান হয় না; তৈরি হয় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথেই নিজের কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় ব্যয় করে চলেছেন মুহাঃ মোশাররফ হোসাইন।


তাঁর প্রত্যাশা একটাই—শিক্ষার আলো যেন কোনো শিশুর জীবন থেকে দূরে না থাকে।


কারণ তাঁর কাছে শিক্ষা কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়; শিক্ষা হলো মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম।

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য