ফেনীতে আগুনে পুড়ল ২০ দোকান, ক্ষতি প্রায় ২ কোটি টাকা

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১
ফেনীতে আগুনে পুড়ল ২০ দোকান, ক্ষতি প্রায় ২ কোটি টাকা



ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২০টি দোকান ও গুদাম পুড়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।


শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


অগ্নিকাণ্ডে মুদি দোকান, ওষুধের দোকান, কাপড়ের দোকান, স্টেশনারি দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন নুরুল আমিন রবিন, মাইফুল, নিজাম উদ্দিন, আবদুল কাদের মিনার, মোস্তফা, সামছুল হক, মিন্টু, আবুল খায়ের ও এমরান হোসেন।


ব্যবসায়ী আবুল খায়ের জানান, শুক্রবার রাত ১০টার পর দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান তিনি। রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি ফোন করে দোকানে আগুন লাগার খবর দেন। দ্রুত বাজারে পৌঁছালেও ততক্ষণে তাঁর দোকান পুড়ে যায়।


আরেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মিন্টু দাবি করেন, বাজারের একটি মুদি দোকানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিস এখনো আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করেনি।


পরশুরাম ফায়ার স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। তবে তাঁদের পৌঁছানোর আগেই বেশির ভাগ দোকান পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।


বক্সমাহমুদ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন মিনার বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোয় বাজারের আরও অনেক দোকান আগুনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।


পরশুরাম উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল মণি জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে দলীয় কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান তিনি। স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।


তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ২০টি দোকান পুড়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির ধারণা পাওয়া গেছে।


পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে। তাঁদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য