প্রচণ্ড গরমে এক টুকরো ঠান্ডা কুলফি যেন এনে দেয় প্রশান্তি। আর সেই কুলফি বিক্রি করেই দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন জহির ইসলাম। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের বিরামপুর, আলীগঞ্জ বাজারের মরিচাগো বাড়ি এলাকায়।
প্রতিদিনের মতো কুলফি বিক্রির জন্য বিভিন্ন বাজারে ঘুরে বেড়ান জহির ইসলাম। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তাকে রায়পুর উপজেলার ১ নম্বর উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নের হায়দরগঞ্জ বাজারে কুলফি বিক্রি করতে দেখা যায়।
জহির ইসলামের কুলফির প্রতিটি পিসের দাম ২০ টাকা। কুলফি তৈরিতে তিনি দুধ, কিশমিশসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে একইভাবে কুলফি বিক্রি করে আসছেন তিনি।
স্থানীয়দের অনেকের কাছেই তার কুলফির স্বাদ পুরোনো দিনের স্মৃতি জাগিয়ে তোলে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে তার ঠান্ডা কুলফি পথচারী ও ক্রেতাদের কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক হয়ে ওঠে।
কুলফি খেতে আসা রুবেল হোসেন বলেন, “ছোটবেলায় এই কুলফি খেয়েছি। দীর্ঘ প্রবাসজীবন পার করে দেশে এসে অনেক দিন পর আবার খেলাম। সত্যিই খুব সুস্বাদু।”
২০ বছর ধরে নানা বাজারে ঘুরে কুলফি বিক্রি করে সংসার চালানো জহির ইসলামের এই পথচলা যেন পরিশ্রম ও জীবিকার এক বাস্তব গল্প।