1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
যশোরের সাতমাইল পশুহাটে দর পত্রের ধস নামাতে সিন্ডিকেটের বাধা, নিজেদের পকেট ভরাতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার – দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত : রাশেদ খান পুরনো বন্দোবস্তেই দেশ চলছে, আ. লীগের জায়গায় এসেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ল, নতুন মূল্য ১,৯৪০ টাকা নির্ধারণ অতীতে ছাত্রলীগে থাকলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে: নাহিদ ইসলাম নাচতে নাচতে চিংড়ি রান্না, ফের নেটিজেনদের নজর কাড়লেন পরীমণি যশোরের সাতমাইল পশুহাটে দর পত্রের ধস নামাতে সিন্ডিকেটের বাধা, নিজেদের পকেট ভরাতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার বেনাপোলে হাসপাতালের দাবিতে মানববন্ধন, পরে তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ কেনা দামের চেয়েও কম দরে তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী টুকু ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও দেশে বাড়ানো ‘দুঃখজনক’: শফিকুর রহমান

যশোরের সাতমাইল পশুহাটে দর পত্রের ধস নামাতে সিন্ডিকেটের বাধা, নিজেদের পকেট ভরাতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশ রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের সর্ব বৃহৎ সাতমাইল পশুহাটে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে এবারও সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে ১ম হাট গত মঙ্গলবার বিক্রি হওয়া গরু এক জায়গাই করে রেখে স্থানিয় একটি সিন্ডিকেটের বাহিনীর সদস্যরা পাশ বিহীন নগদ টাকা নিয়ে বের করে দিয়ে সরকারি রাজস্ব আদায় কম রাখতে চেয়েছিল। ১ম হাটে ব‍্যার্থ হওয়ায় ২য়

হাটে গরু ওঠা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাটটি দীর্ঘদিন ধরেই ইজারা জটিলতায় রয়েছে। অতীতে প্রভাবশালী মহল ইজারা ছাড়াই নামমাত্র  চর ভাগের এক ভাগ টাকা জমা দিয়ে খাস আদায় করত। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও একটি সিন্ডিকেট হাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার দরপত্র আহ্বান করেও হাটটি ইজারা দিতে পারেনি। সর্বশেষ প্রশাসন নিজ উদ্যোগে খাস আদায় শুরু করলে শনিবার হাটে গরু ওঠা বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বেলতলা, ঝিকরগাছা, নাভারণ,জামতলা ও শংকরপুর এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে পশুবাহী যানবাহন আটকে দেওয়া হয়। ব‍্যপারি যেন হাটে না আসে তাদেরকে মুঠো ফোনে নিষেধ করা হয়। ফলে হাটে কার্যত বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। তবে বাধা সত্ত্বেও প্রশাসন ওইদিন প্রায় ৬০ হাজার টাকা খাস আদায় করতে সক্ষম হয়। এর আগে ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ) হাটের প্রথম দিনে ৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। হাটে আসা গরু ব্যবসায়ী  দেলোয়ার হসেন বলেন, “না জেনে দুটি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। কিন্তু ক্রেতা না থাকায় বিক্রি করতে পারিনি। যাতায়াত ও খাওয়াসহ প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়েছে।” আরেক বিক্রেতা খলিলুর রহমান ও একই ধরনের ক্ষতির কথা জানান।

হাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম নূরুজ্জামান বলেন, সকালে কে বা কারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে গরু ওঠা বন্ধ করে দেয়, যার কারণে হাটে বেচাকেনা হয়নি। 

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ জানান, টেন্ডার না হওয়ায় প্রশাসন খাস আদায় করছে। তবে দ্বিতীয় দিনের হাটে একটি প্রভাবশালী মহল সিন্ডিকেট করে পরিস্থিতি অচল করে দেয়। তিনি বলেন, “সরকারের রাজস্বের ব্যাপারে কোনো আপোষ নেই। কেউ নিয়ম অনুযায়ী ইজারা নিতে চাইলে তা বিবেচনা করা হবে।” সাতমাইল পশুহাটে সপ্তাহে দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—হাজার হাজার গরু, মহিষ ও ছাগল বেচাকেনা হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি হাটে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park