1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আজ স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য নাম: সেনাপ্রধান দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ গণগুলিবর্ষণ, নিহত ১২ কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২২ বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৮ লাখ ৫১ হাজার টাকার ভারতীয় গবাদিপশু, গাঁজা ও চোরাচালানী মালামাল আটক ডেঙ্গু রোগী বাড়লে অতিরিক্ত চিকিৎসক দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও স্ত্রী তামিমা শান্তিরক্ষীদের অর্জিত গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোটের দায়িত্বে মৃত্যু হলে পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা, নতুন নীতিমালা ইসির আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি ২২ ক্যারেট এখন ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ, শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা

শান্তিরক্ষীদের অর্জিত গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যে সুনাম ও গৌরব অর্জন করেছেন, তা রক্ষা করা দেশের সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা ও কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনন্য মর্যাদা অর্জন করেছেন এবং সেই অর্জন কোনোভাবেই ম্লান হতে দেওয়া যাবে না।

বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা এবং কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালে সুদানে শহীদ হওয়া ছয় সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন মিশনে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও সম্মাননা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কুশল বিনিময় করেন। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর দুই লাখের বেশি সদস্য বিশ্বের ৪৩টি দেশে প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ৪ হাজার ২১২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৯টি মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন এবং হাইতিতে নতুন একটি মিশনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের নারী সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিচ্ছেন, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সেনাবাহিনীর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একজন মেজর স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি এই ঐতিহাসিক গৌরবকে ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা হিসেবে ধরে রেখে বাহিনীর শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের নানা সংকট ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সশস্ত্র বাহিনী যেমন এগিয়ে এসেছে, ভবিষ্যতেও অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য পেশাদারিত্ব, ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং চেইন অব কমান্ডকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন, প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি, সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, তথ্যযুদ্ধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকি বিশ্বশান্তির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে ধারাবাহিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিতে বিশ্বাস করে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ জাতিসংঘের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো আগ্রাসন ও সংঘাতের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গঠনে ভূমিকা রেখে যাবে।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park