1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
ফুটপাতের হকার পুনর্বাসনে ৬ মাঠে অস্থায়ী মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা ডিএনসিসির – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, গ্রাহক স্বস্তির সম্ভাবনা হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে তুরস্কের অংশগ্রহণের ইঙ্গিত হাসনাবাদ ইউনিয়নে একজন মানবিক চিকিৎসক সাইদুল ইসলাম বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস আর নেই নারায়ণগঞ্জে বহুমুখী পাটপণ্য মেলা ২০২৬ শুরু ফুটপাতের হকার পুনর্বাসনে ৬ মাঠে অস্থায়ী মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা ডিএনসিসির কলেজছাত্রের বানানো রেসিং কার চালিয়ে উদ্ভাবনী তরুণদের উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মেলান্দহে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মেয়র প্রার্থী নুরল আলম সিদ্দিকীর সংবাদ সম্মেলন  কিশোরগঞ্জে বালুবাহী ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে ভ্যানচালক নিহত: ছেলে গুরুতর আহত 

ফুটপাতের হকার পুনর্বাসনে ৬ মাঠে অস্থায়ী মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা ডিএনসিসির

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকার ফুটপাতের হকারদের পুনর্বাসনে ছয়টি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি জানান, নির্ধারিত এসব স্থানে নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের বসানো হবে এবং একটি নির্দিষ্ট ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

শনিবার সকালে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে? সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক নগর সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত এই সংলাপে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আগে যেখানে ফুটপাতে প্রায় ২০০ হকার ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুল্যান্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, দুই শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, ঢাকার কয়েকজন হকারের কারণে পুরো নগরবাসীর দুর্ভোগ হোক, তা ডিএনসিসি চায় না। তাই নির্দিষ্ট স্থানে হকারদের বসতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে দোকান সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দোকানগুলো ট্রলির আদলে তৈরি করতে হবে, যাতে কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে না ওঠে।

শফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, নগর ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়, তার বেশিরভাগই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া নগর সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন এবং খাল পরিষ্কারে জনগণের সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, মিরপুরের প্যারিস খাল গত দুই মাসে সাতবার পরিষ্কার করা হলেও তা আবার দ্রুত নোংরা হয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, খালের পাড়ে যারা বর্জ্য ফেলে তাদের জরিমানার আওতায় আনতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

নগর সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নগর অধিকার কর্মী ও গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park