আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির ত্যাগী, কারানির্যাতিত নেতা ও সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো: আলী। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের পাশে: থেকে নিরলসভাবে কাজ করার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পরিচিত ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
মাটিকাটা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: আলী ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিক হামলা, মামলা, কারাভোগ এবং নানা ধরনের রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু শত বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি।
বর্তমানে তিনি সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকায় মো. আলী একজন জনবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইউনিয়নের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বরাবরই সোচ্চার।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: আলী বলেন,
আমি রাজনীতি করি মানুষের সেবা করার জন্য। সারাজীবন সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছি, ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ। আমার কারণে কোনো মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেটিই আমার অঙ্গীকার। জনগণ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে সেলবরষ ইউনিয়নকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব। গরিব, অসহায়, কৃষক, শ্রমিক, যুবসমাজ ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করব।