৮৭ টাকার মাল্টায় শুল্ক-কর ১০৭ টাকা

দে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮
৮৭ টাকার মাল্টায় শুল্ক-কর ১০৭ টাকা



আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি মাল্টার মূল্য প্রায় ৮৭ টাকা হলেও এর বিপরীতে শুল্ক-কর দিতে হচ্ছে প্রায় ১০৭ টাকা। অর্থাৎ পণ্যটির আমদানি মূল্যের চেয়েও শুল্ক-কর বেশি। বর্তমানে মাল্টা আমদানিতে মোট শুল্ক-করভার দাঁড়িয়েছে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।


চলতি অর্থবছরের ট্যারিফ অনুযায়ী, টেসলা ও মার্সিডিজ বেঞ্জসহ অন্তত ১৪৬টি এইচএস কোডভুক্ত গাড়ি আমদানিতে প্রযোজ্য শুল্ক-করের হারও মাল্টার তুলনায় কম।


সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি কমে যাওয়ায় দেশের খুচরা বাজারে মাল্টার দাম কেজিপ্রতি ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরে সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমে বর্তমানে কেজিপ্রতি প্রায় ৪০০ টাকায় নেমেছে। তবে আমদানি পর্যায়ে পণ্যের মূল্যের তুলনায় বেশি শুল্ক-কর থাকায় মাল্টার দাম নিয়ে আবারও আলোচনা তৈরি হয়েছে।


বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলম দাবি করেন, বিশ্বের অন্য কোথাও ফল আমদানিতে এত বেশি শুল্ক-কর নেই। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশে মাল্টাসহ তাজা ফলের ওপর শুল্ক-কর অনেক গাড়ির তুলনায়ও বেশি।


তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে মাল্টা আমদানিতে মোট শুল্ক-করভার ছিল ৫৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। সে সময় প্রতি কেজি মাল্টায় প্রায় ১২ টাকা শুল্ক-কর দিতে হতো।


পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে করের বোঝা বাড়তে থাকে। ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত মাল্টার মোট শুল্ক-করভার বেড়ে ৮৯ দশমিক ৩২ শতাংশে পৌঁছায়। তখন প্রতি কেজিতে শুল্ক-কর দিতে হতো প্রায় ৩৮ টাকা।


২০২২ সালের মে মাসে ডলার-সংকটের মধ্যে আমদানি নিরুৎসাহিত করতে তৎকালীন সরকার ফল আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করে। এর ফলে মাল্টার মোট শুল্ক-করভার বেড়ে প্রায় ১১৪ শতাংশে পৌঁছায়।


বর্তমানে সেই করভার আরও বেড়ে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফলে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন অসুস্থতার সময় রোগীর পথ্য হিসেবে বহুল ব্যবহৃত এই ফলটির দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের মধ্যে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সর্বশেষ সংবাদ

একই বিভাগের আরও সংবাদ

🏠 হোম জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক সারাবাংলা খেলাধুলা আইন আদালত বিনোদন অর্থনীতি স্বাস্থ্য শিক্ষা চাকরি প্রবাস ধর্ম তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফস্টাইল অপরাধ নারী ও শিশু রাজধানী অন্যান্য