1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাবি শিক্ষার্থীর মাথাপিছু বরাদ্দ ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক রাত ২টায় নেদারল্যান্ডস-জাপান মহারণ, এগিয়ে কারা? আগামীকাল থেকে বাজারে আসছে হাঁড়িভাঙ্গা আম, অবকাঠামোগত সংকটে উদ্বিগ্ন চাষি-ব্যবসায়ীরা লাকসামে ডেন্টাল চিকিৎসককে জড়িয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার জয়, তবু সিরিজ বাংলাদেশের ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ ওসি প্রত্যাহার গলাচিপায় স্কুল ফিডিং দেওয়া হচ্ছে তেঁতো স্বাদের ডিম  বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা সভা পিরোজপুররের মঠবাড়িয়ায় ২০০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

আগামীকাল থেকে বাজারে আসছে হাঁড়িভাঙ্গা আম, অবকাঠামোগত সংকটে উদ্বিগ্ন চাষি-ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃত হাঁড়িভাঙ্গা আম আগামীকাল সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাত শুরু হচ্ছে। তবে মৌসুমের শুরুতেই ফলন হ্রাস এবং বাজার ব্যবস্থাপনার নানা সমস্যায় উদ্বেগে রয়েছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জ হাট, যা হাঁড়িভাঙ্গা আমের প্রধান বেচাকেনার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সামান্য বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব এবং দুর্বল অবকাঠামোর কারণে আম পরিবহন ও বেচাকেনায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটের মাঠ ছাড়িয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আমের বেচাকেনা হলেও সেখানে পর্যাপ্ত অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। অথচ কৃষি বিভাগের হিসাবে চলতি মৌসুমে এই হাট থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার হাঁড়িভাঙ্গা আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবু হাসান বলেন, প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ টোল আদায় করা হলেও হাটের উন্নয়নে তার প্রতিফলন দেখা যায় না। অন্যদিকে চাষিদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই আম হাটে আনা-নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, কিন্তু দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মৌসুমে হাটে ব্যাপক টোল আদায় করা হচ্ছে। তবে চাষি ও ব্যবসায়ীদের মতে, আদায়কৃত অর্থের তুলনায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন খুবই সীমিত।

হাটের ইজারাদারদের একজন মানিক মিয়া জানান, রাস্তার দুই পাশে ড্রেন নির্মাণ এবং হাটে ইট-রাবিশ ফেলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এদিকে কৃষকদের দাবি, চলতি মৌসুমে শিলাবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আম ঝরে গেছে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টির কারণে অনেক আমে কালো দাগ পড়েছে, রং নষ্ট হয়েছে এবং কিছু ফল ফেটেও গেছে।

মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, হাটের উন্নয়নের দায়িত্ব মূলত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের। দ্রুত সংস্কার ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ জরুরি।

অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, কিছু ক্ষতি হলেও সামগ্রিকভাবে হাঁড়িভাঙ্গা আমের ফলন ভালো হয়েছে। আমের আকারও সন্তোষজনক। এ বছর ৩০০ কোটির বেশি টাকার আম বেচাকেনা হবে বলে তারা আশাবাদী।

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, সোমবার দুপুর ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে হাঁড়িভাঙ্গা আমের বাজারজাত কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। ফলন কিছুটা কম হওয়ায় কৃষকরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অবকাঠামো, সড়ক, ব্যাংকিং সুবিধা, নিরাপত্তা ও রপ্তানি-সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধানে প্রশাসন কাজ করছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park