আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ও অবদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করেছে।
অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ বর্তমানে একটি বিশ্বস্ত ও সম্মানিত নাম। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চার হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন। তারা দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করছেন।
সেনাপ্রধান আরও জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ১৭৫ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২৮৭ জন সদস্য। তিনি তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং শান্তিরক্ষীদের অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে বলে উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।