জাল ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগে দেশের ৩৩০ জন কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বিষয়টি উপস্থাপন করেন। সংসদের ওই দিনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি শনাক্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর (ডিআইএ) নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এসব তদন্তে বিভিন্ন সময়ে জাল ও ভুয়া সনদ ব্যবহার করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে।
তিনি জানান, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিআইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী জাল ও ভুয়া সনদের অভিযোগে কলেজ পর্যায়ের ২০২ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত ৭৪ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা ২০২৩ সালের জুলাই থেকে স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি এমপিওবিহীন ১২৮ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট গভর্নিং বডির মাধ্যমে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আরও ৩৩০ জন কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।