বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী অক্টোবরের শুরুতেই। হাতে সময় আছে আর মাত্র দুই মাসেরও কম। অথচ এই মুহূর্তে নির্বাচন নিয়ে কোনো তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে না বিসিবির ভেতরে। বরং বোর্ডের আলোচনায় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে মাঠের ক্রিকেট এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো।
এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। অনেকে আশঙ্কা করছেন, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হতে পারে। সম্প্রতি এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছে ঢাকা লিগের ৭৬টি ক্লাবের সংগঠন ‘ঢাকা ক্রিকেট ক্লাব অর্গানাইজার্স অ্যাসোসিয়েশন’।
এই শঙ্কার বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচন যথাসময়েই হবে। তিনি বলেন, “ক্রিকেট পরিচালনা পর্ষদের প্রায়োরিটি হচ্ছে ক্রিকেট চালানো। নির্বাচন চার বছর পরপর হয়। সময় যেহেতু চলে এসেছে, সেটা ঠিক সময়েই হবে।”
রাজনীতির প্রভাব নিয়ে যে আলোচনা উঠেছে, তাতেও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বিসিবি সভাপতি। তার ভাষায়, “যারা পূর্ণ সদস্য আছে তাদের নির্বাচন নিয়ে কিন্তু আন্তর্জাতিক নিউজ হয় না। আমরাই সিরিয়াসলি নেই। আমরা এখন যারা ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদে আছি, আমাদের ফোকাস ক্রিকেট। অবশ্যই নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে। সেটার জন্য যে আমাদের নির্বাচন কমিশন এবং আনুষঙ্গিক কাজ সেগুলো দ্রুত জানতে পারবেন।”
অর্থাৎ নির্বাচন নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও বিসিবি সভাপতির আশ্বাসে বোঝা যাচ্ছে— ক্রিকেট নিয়েই তাদের অগ্রাধিকার, আর সময়মতোই অনুষ্ঠিত হবে বোর্ডের নির্বাচন।