বরিশাল জিলা স্কুল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামের প্রকাশ্য মদদে এসব অনিয়ম হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী অভিভাবকরা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
একাধিক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তাদের সন্তানরা জিলা স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে। সেখানে বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। বিশেষ করে ১১১, ১১২ ও ১১৩ নম্বর কক্ষে পরীক্ষার্থীদের বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এসব কক্ষে নকল, দেখাদেখি এবং গার্ডের শিথিলতার সুযোগ থাকলেও অন্যান্য কক্ষে কঠোরভাবে নিয়ম মানা হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
অভিভাবকদের ভাষ্য, এতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি তা গুরুত্ব দেননি। এমনকি বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তারা।
এদিকে, বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বরিশাল জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “কয়েকজন অভিভাবক আমাকে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন। আমি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। অতীতে এমন কিছু হয়েছে কিনা জানা নেই, তবে ভবিষ্যতে যাতে না ঘটে সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” তিনি অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা পারভীন বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই কাম্য নয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”