জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার আগ্রহ কমে যাওয়ার একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে অধিবেশনে ট্রেজারি বেঞ্চের বড় একটি অংশ ফাঁকা দেখা যায়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে স্পিকার ও চিফ হুইপের আলোচনায় বিষয়টি উঠে আসে। এ সময় চিফ হুইপ স্বীকার করেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদের “প্রাণ” এবং তিনি উপস্থিত না থাকলে অনেক সংসদ সদস্য বক্তব্য দিতে অনাগ্রহী হন।
অধিবেশন চলাকালে নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম বক্তব্যের জন্য ঘোষণা করা হলেও তিনি বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে স্পিকার কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করে চিফ হুইপকে তালিকা প্রস্তুতির বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
চিফ হুইপ জানান, তালিকাভুক্ত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, তবে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতির কারণে অনেকেই বক্তব্য দিতে আগ্রহী নন। তিনি আরও বলেন, সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিকে স্পিকার অধিবেশনে কম উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সদস্যরা তাদের এলাকার সমস্যা যেমন রাস্তা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বললেও মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে তা শোনা জরুরি। তিনি চিফ হুইপকে মন্ত্রীদের সংসদে উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
চিফ হুইপ জানান, কিছু মন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সফর ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে বাইরে থাকলেও প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত ছিলেন এবং আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
অধিবেশনের শেষে স্পিকার বলেন, সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকা এবং অংশগ্রহণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলোর একটি।