1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা, আলোচিত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর গ্রেপ্তার – দৈনিক দেশেরকথা
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক, শেষ হতে যাচ্ছে উপসাগরীয় যুদ্ধ চামড়া ব্যবসায়ীদের নতুন ঋণ সুবিধা, বকেয়া থাকলেও মিলবে অর্থায়ন জরাজীর্ণ টাংগাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযান শেষ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ, আটকে আছে আইএমএফের আগের কিস্তি পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রূপগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই—সাঁড়াশি অভিযানে ১৩ জন গ্রেফতার শপথ নিলেন এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিদেশিদের সহায়তা চেয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল ঈদ কবে—২৭ নাকি ২৮ মে? যা জানা গেল

ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা, আলোচিত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর গ্রেপ্তার

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় আলোচিত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র‍্যাবের একটি দল তাকে আটক করে।

গ্রেপ্তার আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাছহাট গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের একটি মহিলা মাদরাসার পরিচালক বলেও জানা গেছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার ভোরে র‍্যাব অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে বলে তাদের পক্ষ থেকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, এজাহার এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। শিশুটির বাবা মা’কে ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় সংসারের দায়ভার সামলাতে তার মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।

ভুক্তভোগী শিশুর মা অভিযোগ করে জানান, গত বছরের ২ নভেম্বর বিকেলে মাদরাসা ছুটির পর শিক্ষক তার মেয়েকে ডেকে মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদ ঝাড়ু দিতে বলেন। ওই সময় মাদরাসার অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে যায়। ঝাড়ু শেষ হওয়ার পর শিশুটিকে হুজুরের কক্ষে ডেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে বাড়িতে ফিরে মেয়ের পেট বড় দেখে সন্দেহ হলে মেয়েকে জিজ্ঞাসা করেন। তখন মেয়েটি জানায়, হুজুর তার সঙ্গে এ কাজ করেছে। পরবর্তীতে ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন এবং ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

মামলার পর শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার সময় ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক ছিলেন। তবে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় এসে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন।

অবশেষে বুধবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এই ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park