1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
জুলাই গণহত্যা: পলাতক শেখ হাসিনা ও কামালকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ – দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাচতে নাচতে চিংড়ি রান্না, ফের নেটিজেনদের নজর কাড়লেন পরীমণি যশোরের সাতমাইল পশুহাটে দর পত্রের ধস নামাতে সিন্ডিকেটের বাধা, নিজেদের পকেট ভরাতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার বেনাপোলে হাসপাতালের দাবিতে মানববন্ধন, পরে তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ কেনা দামের চেয়েও কম দরে তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী টুকু ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও দেশে বাড়ানো ‘দুঃখজনক’: শফিকুর রহমান অ্যাটলেটিকোকে কাঁদিয়ে কোপা দেল রে জিতল রিয়াল সোসিয়েদাদ এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনায় জরুরি নির্দেশনা ঢাকা বোর্ডের বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও সরকার বাড়িয়েছে সামান্য ইরানে ধাপে ধাপে ইন্টারনেট চালু, প্রথমে সুবিধা পাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

জুলাই গণহত্যা: পলাতক শেখ হাসিনা ও কামালকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫

জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে হাজির হতে দেশের দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৬ জুন) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে ২৪ জুন। এদিন মামলার অপর আসামি, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এর আগে, মামলার শুনানিতে শেখ হাসিনা ও কামালকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়টি আদালতকে জানায় পুলিশ। ফলে আদালত তাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ১ জুন শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে আন্দোলনরত ১৪শ’র বেশি ছাত্র-জনতা নিহত হয়, যা ছিল গণহত্যার শামিল।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ নির্দেশ, উসকানি ও পরিকল্পনা ছিল। তার অনুমোদনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলো গণআন্দোলন দমন করতে মরনঘাতি অস্ত্র ব্যবহার করে।

এ নিয়ে শেখ হাসিনাকে প্রধান অভিযুক্ত করে মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দাখিল করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনেও তাকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park