রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, এ ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি নির্দোষ।
বুধবার (৩ জুন) সকাল ১১টার পর ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন-এর আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিকালে এসব কথা বলেন সোহেল রানা।
শুনানির শুরুতে বিচারক মামলার অভিযোগ ও সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান। পরে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিজের দায় স্বীকার করেন সোহেল রানা। এ সময় তিনি আদালতের কাছে ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।
একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। এছাড়া রামিসা হত্যাকাণ্ডে ‘ডলার’ নামে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিও আদালতের কাছে উত্থাপন করেন তিনি।
এর আগে অভিযোগ গঠনের পর মাত্র এক দিনের মধ্যেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় রামিসার পরিবারের সদস্য, পুলিশ কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ১৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় শিশু রামিসার ওপর সংঘটিত নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন হৃদয়বিদারক তথ্য আদালতে উঠে আসে।
এদিকে, নিহত রামিসার পরিবার এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালত এমন রায় দেবেন, যা ভবিষ্যতে শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।