1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
আত্রাইয়ে উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় মাঠের পাকা ধান, রাতে নেই কৃষকের চোখে ঘুৃম – দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নোয়াখালী শহরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: ১০ নেতার পদত্যাগ, নাছিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ১৫ বছর, ফাইল পাচার ও বদলি বাণিজ্যে বেপরোয়া এক তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী​ সিরাজগঞ্জে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে আত্মহত্যা? চিরকুটে উঠে এলো কিশোরীর শেষ কথা নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট প্রকাশে সিদ্ধান্ত, সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষায় ইসি পশ্চিমবঙ্গে জয়ের পথে বিজেপি, মুখ্যমন্ত্রী কে—শুরু জোর আলোচনা আত্রাইয়ে উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় মাঠের পাকা ধান, রাতে নেই কৃষকের চোখে ঘুৃম সুন্দরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রে নিহত লিমনের লাশ জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩০২ পুলিশের বর্তমান পোশাক মানানসই হয়নি, কেউ সন্তুষ্ট না: সালাহউদ্দিন আহমদ

আত্রাইয়ে উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় মাঠের পাকা ধান, রাতে নেই কৃষকের চোখে ঘুৃম

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

নওগাঁর আত্রাইয়ে উজানের ঢল ও আকস্মিক পানি বৃদ্ধিতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে মাঠের শত শত একর পাকা বোরো ধান। হু হু করে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন খাল ও ডারা দিয়ে ফসলি জমিতে প্রবেশ করায় চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে স্থানীয় কৃষকদের। সোনালি ফসল রক্ষায় এখন খাওয়া দওয়া ভুলে মাঠেই সময় কাটছে তাদের।

ভৌগোলিক কারণে আত্রাই উপজেলার ভেতর দিয়ে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদী প্রবাহিত। গত দুইদিন ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এই দুই নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে উপজেলার বড় কালিকাপুর, হরপুর, রসুলপুর ও জাতোপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকার নিচু জমির মাঠে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

​অন্যদিকে, রক্তদহ বিলের পানিও আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জামগ্রাম খাল দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এই পানি এখন সোনাইডাঙ্গা, লাকবাড়িয়া, বাঁকা ও জামগ্রাম এলাকার ফসলি মাঠের দিকে ধেয়ে আসছে।

সরেজমিনে গতকাল সোমবার সোনাইডাঙ্গা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাকা ধান রক্ষায় কৃষকরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছেন। মাইকিং করে দলবদ্ধ হয়ে তারা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাঠ, বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে খালের ব্রিজের মুখ ও বিভিন্ন চ্যানেলের ভাঙন মেরামতের চেষ্টা করছেন।

​সোনাইডাঙ্গা গ্রামের আবুল হোসেন ও বাঁকা গ্রামের হাফেজ উদ্দিন ক্ষোভ আর শঙ্কা নিয়ে জানান, মাঠে এখন স্বপ্নের সোনালি ফসল। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে পানি ঢুকে পড়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। চোখের সামনে কষ্টার্জিত ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাবে এটি তারা মেনে নিতে পারছেন না। তাই দিনরাত এক করে বাঁধ রক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফসলের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ তৎপর রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রসেজিৎ তালুকদার বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাঠের ফসলের ওপর একটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং পানি প্রবেশ রোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয় করে নদীর মুখে থাকা সবগুলো স্লুইসগেট বন্ধ করে দিয়েছি।

কৃষকদের আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পাকা ধান ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সার্বক্ষণিক কারিগরি সহায়তা ও সাহস জুগিয়ে যাচ্ছি। ​বর্তমানে কৃষকরা প্রকৃতির এই বৈরী আবহাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে তাদের একমাত্র সম্বল ধানটুকু বাঁচাতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park