1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
রাজধানীতে তেল সংকট: রোদে ঘেমে-নেয়ে গ্রাহকরা – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিবালয়ে দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা কটিয়াদীতে হামলা ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে  আরকান আর্মি কর্তৃক অপহরণের শিকার ৭ জেলে হবিগঞ্জ চোখের সামনে ভেসে যাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন, ডুবছে হাওর জবি প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি হলেন রিদুয়ান ইসলাম শ্রীপুরে প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা: বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ ধর্ম যার যার, নিরাপত্তার অধিকার সবার: বুদ্ধ পূর্ণিমার বাণীতে প্রধানমন্ত্রী গবেষণার পরিধি বাড়াতে বেরোবিতে বিজনেস অনুষদের সেমিনার নোয়াখালী কলেজ ছাত্রদলের ৫ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা,৩ জন স্থায়ী বহিষ্কার বেগম খালেদা জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মিজানুর রহমান (মৃদুল)

রাজধানীতে তেল সংকট: রোদে ঘেমে-নেয়ে গ্রাহকরা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে তেল সংকটের কারণে গ্রাহকরা তপ্ত রোদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের লাইন অ্যারোস্পেস অ্যান্ড এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। তেলের পরিমাণ সীমিত থাকায় এক গ্রাহক সর্বোচ্চ ৬০০ টাকার (৫ লিটার অকটেন) তেল নিতে পারছেন।

সরকার গত ১৪ মার্চ তেলের রেশনিং ব্যবস্থা তুলে দিয়েও পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়নি। অনেক পাম্পে এখনও তেল নেই, আর যেসব পাম্পে তেল আছে, সেখানে গ্রাহকরা নির্ধারিত সীমার মধ্যে তেল পাচ্ছেন। ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের একজন কর্মী জানান, বাইকে ৬০০ টাকা, প্রাইভেটকারে সর্বোচ্চ ১ থেকে ২ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।

মহাখালীর ক্লিন ফুয়েল স্টেশনেও একই চিত্র দেখা যায়। এখানে বাইকারদের লাইন মহাখালী বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। এক ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হয়নি, ফলে আবার অন্য স্টেশন থেকে তেল নিতে হবে।

তেলহীন পাম্পগুলোতেও গ্রাহকরা লাইন ধরে বসে আছেন। তেজগাঁওয়ের আইডিয়াল ফিলিং স্টেশনে বোর্ডে লেখা আছে, ‘অকটেন নেই, ডিপো থেকে আসলে দেওয়া হবে’, তবে কবে তা আসবে জানা নেই।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম বলেন, একেক পাম্প ৩–৪ হাজার লিটার তেল পাচ্ছে, কিন্তু চাহিদা অনেক বেশি। তাই পাম্পকে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দিতে হচ্ছে, গ্রাহকদের ভোগান্তিতে ফেলার কোনো উদ্দেশ্য নেই। বিপিসি এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চাহিদামাফিক তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং গ্রাহকদের প্যানিক বায়িং এড়াতে সচেতন হতে হবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park