1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে  আরকান আর্মি কর্তৃক অপহরণের শিকার ৭ জেলে – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১০০ টাকা প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত, লাখ টাকা পেলেন যেসব নম্বর শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান অবলম্বন: প্রধানমন্ত্রী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার খবর ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার, দাবি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ মে লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিবালয়ে দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা কটিয়াদীতে হামলা ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে  আরকান আর্মি কর্তৃক অপহরণের শিকার ৭ জেলে হবিগঞ্জ চোখের সামনে ভেসে যাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন, ডুবছে হাওর জবি প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি হলেন রিদুয়ান ইসলাম

নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে  আরকান আর্মি কর্তৃক অপহরণের শিকার ৭ জেলে

শামসুল আলম শারেক
  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

টেকনাফ উপকূলে  মাছ ধরতে গিয়ে আবারও আরকান আর্মির কর্তৃক অপহরণের শিকার হয়েছে ৭ জন জেলে। উদ্বেগ উৎকন্ঠা বাড়ছে সীমান্ত এলাকায়—উদ্ধারে কাজ করছে কোস্টগার্ড ও বিজিবি।

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় ৭ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরকান আর্মি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনার ঘোলারচর এলাকায় জেলেরা মাছ ধরছিলেন। দুপুর প্রায় ২টার দিকে তারা তীরে ফেরার পথে মিয়ানমারের দিক থেকে দুটি স্পিডবোটে আসা সশস্ত্র সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে অস্ত্রের মুখে জেলেদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

অপহৃত জেলেরা হলেন-আহমেদ আলী (৪৮), তার দুই ছেলে আব্দুর রহিম (২০) ও নুরুল আবসার (১৮), আব্দুর রহমান (৪৮), সাব্বির আহমদ (৪০), নুর আহমদ ওরফে গুড়া মিয়া (৬৫) এবং আব্দুল মোতালেব (৩৮)। তারা সবাই টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ ও নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। একই পরিবারের তিন সদস্য অপহৃত হওয়ায় স্বজনদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

আহমেদ আলীর স্ত্রী মুন্নী আক্তার বলেন, “পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যদের হারিয়ে আমরা এখন অসহায় হয়ে পড়েছি।”

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম এবং ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান,বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও   বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সমন্বয়ে জেলেদের দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় টেকনাফ উপকূলজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় জেলেরা বলছেন, অতীতেও নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বহু বাংলাদেশি জেলে একইভাবে অপহরণের শিকার হয়েছেন, যা সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park