দীর্ঘ ৯ মাসের বিরতির পর আগামীকাল শনিবার (১ নভেম্বর) থেকে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত হবে। পর্যটকরা এই দ্বীপে প্রবেশের সময় বিশেষ কিছু সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিদুল আলম জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও দ্বীপের সৌন্দর্য রক্ষায় নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে এবার পর্যটকবাহী জাহাজ কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে চলাচল করবে।
পরিবেশ সংরক্ষণে ট্যুরিজম বোর্ডের অনলাইন টিকিট ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকবে, যা ছাড়া প্রবেশ অনুমোদিত হবে না।
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পর্যটক চলাচল বন্ধ থাকায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার হয়েছে। সৈকতে শামুক-ঝিনুক বৃদ্ধি পেয়েছে, লাল কাঁকড়ার চলাচল বেড়েছে এবং মা কাছিম ডিম পাড়ছে। ইয়েস কক্সবাজারের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক জানিয়েছেন, সীমিত পর্যটনই সেন্ট মার্টিন বাঁচাতে পারে।
সরকারি প্রজ্ঞাপনের মূল নির্দেশনা সমূহ:
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেন্ট মার্টিনে প্রায় ১,৭৬০ প্রজাতির জীববৈচিত্র্য বাস করে, যা অতিরিক্ত চাপের কারণে ঝুঁকিতে পড়েছিল। নতুন নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা মেনে চললে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পরিবেশবান্ধব পর্যটনের আন্তর্জাতিক উদাহরণ হিসেবে পরিচিত হবে।