রাজনীতির চারণভূমি হিসেবে খ্যাত (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত নোয়াখালী-৫ আসন। জেলার ৬টি আসনের মধ্যে এটি ভিআইপি আসন হিসেবে বিবেচিত। এবার এ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী না থাকায় ভোটের সমীকরণে ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতীক। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার খবরে তৎপর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ধীরে ধীরে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সরব হচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারণায় বইছে ভোটের হাওয়া। স্বাধীনতার পর থেকে আসনটিতে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বিভিন্ন দলের হেভিওয়েট নেতারা। বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদের মৃত্যু এবং ওবায়দুল কাদেরের পলায়নের কারণে এ আসনে প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন বিএনপি’র প্রায় ডজন খানেক নেতা। প্রয়াত বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মিণী সাবেক এমপি হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন চান। তিনি ছাড়া বিএনপি’র সব নেতাই জাতীয় নির্বাচনে নতুন প্রার্থী। তারা হলেন- জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফোরকান-ই আলম, গোলাম হায়দার বিএসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট মোহাম্মদ নুরুল আফসার বাহাদুর, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল, জেদ্দা বিএনপি’র নেতা কিসমত উল্যাহ চৌধুরী, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পারভীন কাউছার মুন্নী। আসনটিতে এবার হেভিওয়েট কোনো প্রার্থী না থাকায় ভোটের আমেজ ক্ষীণ। অতীতে এই আসনে সব সময় হেভিওয়েট প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছেন। দুই হেভিওয়েট নেতার শূন্যতায় এই আসনে ভোটের মাঠ থাকবে নিরুত্তাপ। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোটের মাঠ থেকে দূরে রয়েছেন জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী অধ্যাপক আবু নাসের মো. আব্দুজ জাহের।