বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) মহাব্যবস্থাপক (জিএম) প্রকৌশলী মো. সুবক্তগীন আজ বুধবার (১০ জুন) লাকসাম রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি প্ল্যাটফরমে অবস্থিত ‘মুসলিম স্টল’ নামে একটি দোকানে অপরিচ্ছন্নতার কারণে দোকান মালিককে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার (এসএম) মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া ওই দোকানীকে অর্থদন্ড প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টারের (এসএম) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকাল সাড়ে ৯ টায় একটি বিশেষ ট্রেন যোগে চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) মহাব্যবস্থাপক (জিএম) প্রকৌশলী মো. সুবক্তগীন সরকারি পরিদর্শক বাংলাদেশ রেলওয়ে (জিআইবিআর) বার্ষিক পরিদর্শনে লাকসাম রেলওয়ে অংশন আসেন। একইদিন বেলা সোয়া ১১টায় লাকসাম অংশন থেকে ওই ট্রেনেই নোয়াখালী যান।
লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার (এসএম) মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া জানান, সরকারি পরিদর্শক বাংলাদেশ রেলওয়ে (জিআইবিআর) বার্ষিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে লাকসাম-নোয়াখালী রেলপথের বিভিন্ন স্টেশন এবং সেকশনের সমস্যা, সংকটসহ নানাহ বিষয় পরিদর্শন করেন।
এ সময় অন্যান্যদর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম, প্রধান পরিচালন তত্ত্বাবধায়ক (সিওপিএম) মো. সফিকুর রহমান, প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (সিএমই) ছাদেকুর রহমান, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা (সিএমও) ডা. তুহিন বিনতে হালিম, বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) তৌষিয়া আহমেদ, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) ফারহান মাহমুদ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান অধিনায়ক (চীফ কমান্ড্যান্ট) জহিরুল ইসলাম প্রমূখ।
স্টেশন মাস্টার (এসএম) মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া আরো জানান, এদিন সকালে জিআইবিআর লাকসাম রেলওয়ে জংশনে প্রায় একঘন্টা অবস্থান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যা, সংকট ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদী নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। পরে নোয়াখালী রেলপথের বিভিন্ন স্টেশন ও সেকশন পরিদর্শন শেষে রাত ৮:১০ মিনিটে পুনরায় ওই বিশেষ ট্রেনে লাকসাম জংশন ফিরে আসেন এবং সাড়ে ৮ টায় চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লাকসাম ত্যাগ করেন।