1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
কেন অফিসের কাজে আগ্রহ হারাচ্ছেন? জানুন মূল কারণগুলো – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র শতকোটি ডলারের ক্ষতি গোপন করছে কেন, প্রশ্ন উঠেছে বিশ্বজুড়ে ১০০ টাকা প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত, লাখ টাকা পেলেন যেসব নম্বর শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান অবলম্বন: প্রধানমন্ত্রী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার খবর ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার, দাবি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ মে লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিবালয়ে দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা কটিয়াদীতে হামলা ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে  আরকান আর্মি কর্তৃক অপহরণের শিকার ৭ জেলে হবিগঞ্জ চোখের সামনে ভেসে যাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন, ডুবছে হাওর

কেন অফিসের কাজে আগ্রহ হারাচ্ছেন? জানুন মূল কারণগুলো

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশ বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
কেন অফিসের কাজে আগ্রহ হারাচ্ছেন? জানুন মূল কারণগুলো

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যাওয়ার কথা মনে হলে যদি শুধু বিরক্তি অনুভব হয়, তাহলে বুঝতে হবে এটি স্বাভাবিক উদ্দীপনার অভাব নয়, বরং গভীরতর সমস্যার ইঙ্গিত। দেশে অনেকেই বছরের পর বছর চাকরি করে গেলেও কাজের প্রতি আগ্রহ হারান না—তাদেরও মাঝে মাঝে অনুপ্রেরণা কমে যায়। তবে এর পিছনে শুধু নিষ্ঠার অভাব নয়, বরং বেশ কিছু জটিল কারণ রয়েছে।

একটি প্রধান কারণ হলো অজান্তে ক্লান্তি বা বার্নআউট। কাজের চাপ, সপ্তাহান্তে অফিসের দায়িত্ব, রাতের খাবারের সময় ফোন কল, রাত ১১ টায় ইমেলের উত্তর—এই সবই ক্রমাগত শক্তি নিঃশেষ করে। বার্নআউট সবসময় নাটকীয়ভাবে প্রকাশ পায় না; এমনকি ভালো ঘুমের পরও ক্লান্তি থেকে যায়। যখন মস্তিষ্ক ক্রমাগত “গো মোডে” থাকে, তখন সৃজনশীলতা বা উৎসাহের জন্য মানসিক স্থান থাকে না, ফলে কাজের প্রতি প্রেরণা কমে যায়।

দ্বিতীয় কারণ হলো একই কাজে আটকে থাকা। বছরের পর বছর একই ধরনের দায়িত্ব, পুনরাবৃত্তি এবং সীমিত বেতন বৃদ্ধিতে মস্তিষ্ক অটোপাইলটে চলে যায়। কঠোর পরিশ্রম করলেও পদবি একই থেকে গেলে বা পরবর্তী পদে অগ্রগতির স্পষ্ট ধারণা না থাকলে প্রেরণা হারিয়ে যায়। মস্তিষ্ক লক্ষ্য ও অর্জন চাই; এগুলো না পেলে মানসিক শক্তি বিনিয়োগে অর্থ খুঁজে পায় না।

একই সঙ্গে মনের মতো কাজ না পাওয়া নিয়েও আগ্রহ কমে যায়। পারিবারিক চাপ, চাকরির নিরাপত্তা এবং বেতনসংক্রান্ত উদ্বেগ অনেককে এমন ভূমিকায় ঠেলে দেয় যা তাদের আবেগ ও দক্ষতার সাথে মেলে না। এমন অবস্থায়, এমনকি সেরা সুযোগ-সুবিধাও আগ্রহ পূরণ করতে পারে না। কাজ যদি অর্থহীন মনে হয় বা দক্ষতার সঙ্গে মিল না থাকে, ক্রমাগত ক্লান্তি বৃদ্ধি পায় এবং প্রেরণা শূন্যে নেমে আসে।

কাজের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। টক্সিক পরিবেশে প্রতিভাবান ব্যক্তিও অনুপ্রেরণা হারান। যদি ম্যানেজার সহায়ক না হন, দল সহযোগিতার বদলে প্রতিযোগিতামূলক হয়, বা অফিস গ্রুপে ক্রমাগত নাটক থাকে, তাহলে কাজের প্রতি উৎসাহ ক্ষুণ্ণ হয়। নিজের অবদান মূল্যায়নহীন মনে হতে শুরু করে, জুনিয়রদের প্রশংসা করা হয় না, মতামত শোনা হয় না, এবং নিরাপত্তাহীনতা উপরের দিক থেকে নেমে আসে। ফলে শারীরিকভাবে অফিসে থাকলেও মানসিকভাবে দিন দিন নিম্নমুখী হয় মানুষ।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park