1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ লক্ষ্মীপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুর কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন প্রান্তিক গ্রাহকদের স্বস্তি, আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সুযোগ ফিরতে পারে সুধারামে মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ ঈদের রাতে আতশবাজির লোভ দেখিয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর আশুলিয়ায় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র লিফলেট বিতরণ রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন, যুক্তিতর্ক শেষে দিন নির্ধারণ

কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ সাইফুল ইসলাম
  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
oplus_8388608

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বহুল আলোচিত এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়েই আবারও নিহতের পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

আসামিদের অব্যাহত হুমকি ও হামলার মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবার।

​আজ বুধবার দুপুরে কটিয়াদী মডেল প্রেস ক্লাবে 

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। 

আসামীরা হলেন সবুজ মিয়া,বাইজিদ মিয়া,ফয়সাল মিয়া,দূর্জয়,বাবু,উজ্জ্বল,এলাছ,রমিজ,সুজন,বকুল ও রাকিবসহ অজ্ঞাত ১৫-২০জন।

লিখিত বক্তব্যে তারা প্রশাসনের কাছে আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগ

​পাঠ করেন নিহত এ.কে বাশার রতনের ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান। 

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং তারিখে আসামিরা নির্মমভাবে এ.কে বাশার রতনকে হত্যা করে। ওই ঘটনায় কটিয়াদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি মামলার প্রধান আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

​তিনি অভিযোগ করেন, জামিন পাওয়ার পরপরই ২রা জুন, মঙ্গলবার বিকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে মামলার সাক্ষী ও বাদীপক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা  এ.কে বাশার রতনের সহোদর বড় ভাই ছিদ্দিকুর রহমান বাচ্চু,তার মা সুফিয়া খাতুন ও বোনের মেয়ে শ্রাবন্তী আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বলেন, “আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে না নিলে পুরো পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন ঘরে ঘুমাতে পারছি না। যেকোনো সময় আমাদের পরিবারের আরও সদস্য খুন হতে পারে।”

​সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জামিন পেয়েই আসামিরা যেভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ও খুনিদের জামিন বাতিল করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ও কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ সাইফুল ইসলাম

x

​কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বহুল আলোচিত এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়েই আবারও নিহতের পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

আসামিদের অব্যাহত হুমকি ও হামলার মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবার।

​আজ বুধবার দুপুরে কটিয়াদী মডেল প্রেস ক্লাবে 

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। 

আসামীরা হলেন সবুজ মিয়া,বাইজিদ মিয়া,ফয়সাল মিয়া,দূর্জয়,বাবু,উজ্জ্বল,এলাছ,রমিজ,সুজন,বকুল ও রাকিবসহ অজ্ঞাত ১৫-২০জন।

লিখিত বক্তব্যে তারা প্রশাসনের কাছে আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও অভিযোগ

​পাঠ করেন নিহত এ.কে বাশার রতনের ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান। 

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ইং তারিখে আসামিরা নির্মমভাবে এ.কে বাশার রতনকে হত্যা করে। ওই ঘটনায় কটিয়াদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি মামলার প্রধান আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

​তিনি অভিযোগ করেন, জামিন পাওয়ার পরপরই ২রা জুন, মঙ্গলবার বিকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে মামলার সাক্ষী ও বাদীপক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা  এ.কে বাশার রতনের সহোদর বড় ভাই ছিদ্দিকুর রহমান বাচ্চু,তার মা সুফিয়া খাতুন ও বোনের মেয়ে শ্রাবন্তী আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং দ্বিতীয়বার খুনের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বলেন, “আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে না নিলে পুরো পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন ঘরে ঘুমাতে পারছি না। যেকোনো সময় আমাদের পরিবারের আরও সদস্য খুন হতে পারে।”

​সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জামিন পেয়েই আসামিরা যেভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ও খুনিদের জামিন বাতিল করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ও কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park