1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
কাগজে-কলমে এতিম, বাস্তবে নেই—টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র প্রায় ৪ হাজার সদস্য রবীন্দ্রজয়ন্তীতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের শপথ, ধুতি-পাঞ্জাবিতে মোদির ঘোষণা অনুনমোদিত বৈশাখী মেলা ভেঙে দিলেন এমপি বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের সাথে ছাত্রদল নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ কুবিতে আইকিউএসির নবীন বরণ: দ্বিতীয় দিনে বাংলা ও ইংরেজি বিভাগের অংশগ্রহণ বরিশালে ‘কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টিমেলা’ উদ্বোধন নোয়াখালী শহরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: ১০ নেতার পদত্যাগ, নাছিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ১৫ বছর, ফাইল পাচার ও বদলি বাণিজ্যে বেপরোয়া এক তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী​ সিরাজগঞ্জে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে আত্মহত্যা? চিরকুটে উঠে এলো কিশোরীর শেষ কথা নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট প্রকাশে সিদ্ধান্ত, সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষায় ইসি

রাজাপুরে কাগজে-কলমে এতিম, বাস্তবে নেই—টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মো. নাঈম হাসান ঈমন
  • প্রকাশ রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাজাপুরে কাগজে-কলমে এতিম, বাস্তবে নেই—সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাহিত্যিক অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন এতিমখানা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। কাগজপত্রে যেখানে ডজনখানেক এতিমের কথা উল্লেখ আছে, অনুসন্ধানে দেখা গেছে বাস্তবে এতিম সংখ্যা তার চেয়ে অনেক কম। সরকারি বরাদ্দের অর্থ শিশুদের খাদ্য, পোশাক ও শিক্ষায় ব্যয় না হয়ে আত্মসাত করে অন্য খাতে ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এতিমখানাটিতে ৩৮ জন এতিমের নামে প্রতিবছর প্রায় ৯ লাখ ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, বরাদ্দ পাওয়া প্রতি এতিমের বিপরীতে দ্বিগুণ শিক্ষার্থী থাকার কথা। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ৫০ জনের বেশি থাকার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বসবাস করে মাত্র ৮-১০ জন শিশু।

প্রতিষ্ঠানের বাবুর্চি সাংবাদিকদের জানান, তিনি দৈনিক সর্বোচ্চ ৫-৭ জনের জন্য রান্না করেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, “সরকার এতিমদের জন্য যে অর্থ দেয় তা দিয়ে কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণ, বাবুর্চি ও হুজুরের বেতন দেয়, কিন্তু এতিমদের উন্নয়নমূলক কাজে নগণ্য অংশ ব্যয় করা হয়।”

এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এতিমখানায় আসলে কোনো পূর্ণাঙ্গ আবাসন ব্যবস্থা নেই। কাগজে-কলমে দেখানো হয় যে সব শিশু এখানেই থেকে পড়াশোনা করছে, কিন্তু অধিকাংশ সময় ভবন ফাঁকা থাকে।”

রাজাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল এর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানে এতিমের সংখ্যা কম আছে এবিষয়ে একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি অভিযোগের বিষয় তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কাগজপত্রে চেয়ে বর্তমানে কম আছে। মাদ্রাসায় ছাত্ররা থাকে না পালিয়ে বাড়ি চলে যায়। 

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রকৃত এতিমদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park