1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
যমুনার চরে মরিচের বাম্পার ফলন – দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাবার খনন করা ‘জিয়া খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিসিক শিল্প পার্কে তদন্তে ধোঁয়াশা, রক্ষকই যেন ভক্ষক সন্ধ্যার মধ্যে ৫ জেলায় কালবৈশাখীর শঙ্কা, সর্বোচ্চ ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস রাজনীতি বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল রুয়েট: মুখোমুখি ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর পর আবারও সম্প্রচারে ফিরছে চ্যানেল ওয়ান, ২৭ এপ্রিল থেকে বাণিজ্যিক সম্প্রচার শুরু জামিন পেলেন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা সংসদে দায়িত্বশীল বক্তব্যের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার, শহীদের সংখ্যা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিতর্ক নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন ও ডিজিটাল জরিমানা ব্যবস্থার প্রশিক্ষণ শুরু ওমান সফর শেষে ফের পাকিস্তানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি, শান্তি আলোচনার উদ্যোগে কূটনৈতিক তৎপরতা শ্রীপুরে বিএনপি নেতা সাইদুল ইসলামের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

যমুনার চরে মরিচের বাম্পার ফলন

নজরুল ইসলাম
  • প্রকাশ শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার দূর্গম যমুনা নদীর চরে এ বছর লাল সোনা খ্যাত শুকনা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো দাম পেয়ে চরাঞ্চলের মরিচ চাষিদের মুখে আনন্দের হাঁসি ফুটে উঠেছে।
জানা যায়, কাজিপুর উপজেলা একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ৬টি ইউনিয়ন যমুনা নদীর যমুনার চরে অবস্থিত।

কাজিপুর উপজেলার ইউনিয়নের কমবেশি শুকনা মরিচের চাষ হয়ে থাকে। তবে যমুনা নদীর চরের ইউনিয়ন গুলিতে শুকনা মরিচ চাষ বেশি হয়।  প্রতিনিয়ত যমুনা নদীর চরের ইউনিয়নের মানুষ যমুনা নদীর ভাঙ্গণের সাথে লড়াই ও সংগ্রাম করে টিকে থাকে।  যমুনার ভাঙ্গণে নিঃস্ব এসব মানুষের জীবন- জীবিকা চলে চরে উৎপাদিত নানা ফসলের উপর।
এক সময় ধূ ধূ বালু চরে তেমন কোনো ফসল উৎপাদন হতো না। ফলে তাদের অভাব অনটন লেগে থাকেতো। প্রযুক্তির উন্নয়নে এখন সে অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। চরের পলিমাটি এখন কৃষকের আশির্বাদে পরিণত হয়েছে। চরবাসি চরের পলিমাটিতে নানা ফসল উৎপাদন করে রীতিমত কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছে। ফলে চরের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। 

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, এ বছর কাজিপুর উপজেলায় ৪৪০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে যমুনা নদীর চরের ৬ ইউনিয়নের চরাঞ্চলেই আবাদ হয়েছে ৭০ ভাগ। নতুন পলিমাটিতে মরিচ চাষ ভালো হওয়ায় কৃষকরা মরিচ চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। ফলে লাল সোনা খ্যাত শুকনা মরিচ চাষ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। এ বছর মরিচের বাম্পার ফলন হওয়ায় ও ভালো দাম পাওয়ায় চরের কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠেছে।

তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে চরের কৃষকরা মরিচ চাষে শুরু করেছে। মরিচের ফলন কিভাবে ভালো হবে সে বিষয়ে নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর চরাঞ্চলে স্থানীয় জাত, বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস, বালিজুরি জাতের মরিচ চাষ হচ্ছে। 

নাটুয়ারপাড়া গ্রামের মরিচ চাষি সাইদুল ইসলাম  জানান, তিনি এ বছর ১ বিঘা জমিতে মরিচের চাষ করেছেন। তার এই ১ বিঘা মরিচ ক্ষেতে চাষ করতে খরচ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। শুকনা মরিচ বাজারে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫৩০ টাকা কেজি দরে। বর্তমান বাজার মূল্যে ৬০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

ভেটুয়া চর এলাকায় কৃষক ময়নাল হোসেন বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে এক বিঘা জমিতে মরিচের চাষ করেছি। এরই মধ্যে ১ মণ কাঁচামরিচ বিক্রি করেছি। আরও দুই মণ মরিচ শুকিয়ে রেখেছি। এখন যদি শুকনা মরিচ বিক্রি করি তাহলে প্রায় এক লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারব।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park