1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিভিন্ন সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ পুশ ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড ৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকার ছায়াবাজেট ঘোষণা এনসিপির ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১ হাজার ৪১১ হাদী হত্যা মামলায় জাবের কেন বাদী? প্রশ্ন তুললেন বোন মাসুমা হাদী হাদী হত্যার বিচার দাবিতে সরকারের প্রতি সাত দিনের আল্টিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের ১৪ জুন দুই দিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাস উদ্ধার, নেই কোনো হতাহতের ঘটনা ঢাকার দুই সিটিতে দ্রুত নির্বাচন চাইলেন জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন প্রস্তুতি ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল আইভরি কোস্ট

কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে উন্নয়ন অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

দেশের সার্বিক উন্নয়নের মূলভিত্তি হিসেবে কৃষিকে আবারও সামনে এনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি, তাই কৃষকদের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম নিয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে এই ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় কৃষিখাতের আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের হাতে সার, বীজ, কীটনাশক এবং সরকারি আর্থিক সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া, যাতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানির শিকার না হতে হয়।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নির্ভুল ও হালনাগাদ ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেন, যাতে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে তাদের হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়া যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডিজিটাল ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষকরা সহজেই কৃষি ঋণ, সেচ সুবিধা, ফসল বিমা এবং সরকারি ভর্তুকি গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রক্রিয়াও হবে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুত।

সভায় আরও জানানো হয়, ইতোমধ্যে সারাদেশের প্রকৃত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি জেলায় খুব শিগগিরই এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে এবং আগামী মৌসুমের আগেই দেশব্যাপী এটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষিখাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park