1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন, সৌদির সঙ্গে মিল রেখে জামাত – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমিকের মর্যাদা উপেক্ষা করে কোনো সমাজ টেকসই হতে পারে না: জামায়াত আমির শ্রমিকদের মজুরি এখনও অত্যন্ত নিম্নমানের: আখতার হোসেন নারায়ণগঞ্জে ৩০ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে কিছু মহল: প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত । ১১ মাস পর মুক্তি পেলেন সিদ্দিকুর রহমান, কারাগারে বদলে গেছে জীবনধারা শ্রমজীবী মানুষের প্রাণ উচ্ছ্বাসে কিশোরগঞ্জে বর্ণিল মহান মে দিবস উদযাপন  ধর্মপাশায়, ছুটি ছাড়াই বিদ্যালয়ে ৬দিন অনুপস্থিতি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থার আশ্বাস জাতীয় হাইস্কুল প্রগ্রামিং প্রতিযোগিতা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জরুরি নির্দেশনা

চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন, সৌদির সঙ্গে মিল রেখে জামাত

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

সারাদেশে যখন পবিত্র Eid al-Fitr উদযাপনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে Chandpur জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) আগাম ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসব গ্রামের হাজার হাজার মানুষ ঈদের আনন্দে মেতে ওঠেন এবং একসঙ্গে নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন।

সকাল সাড়ে ৯টায় Hajiganj Upazila উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফে প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর Mufti Zakaria Chowdhury Al Madani। তিনি জানান, বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতেই তারা দীর্ঘদিন ধরে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। আন্তর্জাতিকভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই এই ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করা হয়।

আগাম ঈদ উদযাপনকারী গ্রামগুলোর মধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯২৮ সাল থেকে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে এই ধর্মীয় রীতির সূচনা করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর Allama Mohammad Ishaq Chowdhury। তার মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরিরা এই মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিবছরই দেশের মূল ধারার ঈদ উদযাপনের একদিন আগে এসব গ্রামে ঈদের আমেজ দেখা যায়, যা এখন একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী চর্চায় পরিণত হয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park