জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে নতুনভাবে যোগ দেওয়া নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ বণ্টন করা হয়েছে। সম্প্রতি ‘আপ বাংলাদেশ’, এবি পার্টি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে যোগ দেওয়া প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
গতকাল রবিবার রাতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আক্তার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে কেন্দ্রীয় কমিটিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, আলী আহসান জুনায়েদকে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। পাশাপাশি যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক, রাফে সালমান রিফাত এবং শাহরিন সুলতানা ইরা।
এছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন আয়মান রাহাত, ইয়াসির আরাফাত, নাবিলা তাসনিদ, রাশেল উল ইসলাম, ড. শামীম হামিদি, সরদার আমিরুল ইসলাম, হাসান তানভীর, শাহাদাত হোসেন, আশরেফা খাতুন, এস.এম. সুইট, ওয়াহিদ আলম, তানভীর আহমেদ কল্লোল, মাজেদুল ইসলাম, ইশতিয়াক আকিব, জাহিদুর রহমান, মো. জসিম উদ্দিন, মো. মোশাররফ হোসেন, সুলতান মারুফ তালহা, কাজী আহনাফ তাহমিদ, তৌসিব মাহমুদ সোহান, ফারহানা শারমিন শুচি, মো. শামীম, ফারজানা আক্তার, পুষ্টিবিদ মোহাম্মাদ রায়হানুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া, আহম্মদ করিম চৌধুরী, দিলারা খানম, কাজী সালমান, মো. সুয়াইব হাসান, মুরাদ হোসেন, প্রকৌশলী আবু সাঈদ মো. নোমান এবং কাজী ফখরুল ইসলাম।
দলে যোগ দেওয়ার পর রাফে সালমান রিফাত নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, জুলাইয়ের দেড় কোটি রাজনীতি সচেতন তরুণের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে তারা একত্রিত হয়েছেন। তার ভাষায়, রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা এবং বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, এনসিপিকে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা এই মুহূর্তের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।