1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, টিকাদানে ঘাটতিকে দায়ী করছে ডব্লিউএইচও – দৈনিক দেশেরকথা
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৭২ চাটখিলে ২ স্বামীর সাথে সংসার করার অভিযোগ ১ নারীর বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জে সড়ক সংস্কারের কাজ পরিদর্শনে এমপি মাজেদুর সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ বিতর্ক, যা বললেন মিম ও পরীমনি নিষেধাজ্ঞার জালে বন্দি জেলে জীবন, মিলছে না সহায়তার ভরসা সেন্ট মার্টিনে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত বহাল, বছরে ৯ মাস নিষেধাজ্ঞা থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে ক্ষমতার রাজনীতি, প্রতিষ্ঠান দলীয়করণের অভিযোগ নাহিদের চাটখিলে ১১ বছরেও মেলেনি ছেলে হত্যার বিচার, আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি, কাফি ও ফ্লোরা রুয়েটে দিনব্যাপী ‘র তে রোবট’ প্রযুক্তি উৎসব সম্পন্ন

হামের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, টিকাদানে ঘাটতিকে দায়ী করছে ডব্লিউএইচও

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশের বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতেই হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। টিকার ঘাটতি, নিম্ন কভারেজ এবং মৃত্যুহার বৃদ্ধিকে দেশের দীর্ঘদিনের অর্জিত জনস্বাস্থ্য সাফল্যের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে দেশে হামের সংক্রমণ অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে ১৯ হাজার ১৬১ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়, যার মধ্যে পরীক্ষাগারে ২ হাজার ৯৭৩ জনের হাম নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১২ হাজার ৩১৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। সংক্রমণের বিস্তারে দেশের প্রায় ৯১ শতাংশ জেলা এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

ঢাকা বিভাগে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ৮ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন রোগী পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগেও পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুরা। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ শতাংশই এই বয়সসীমার মধ্যে, যার বড় অংশ আবার দুই বছরের নিচে এবং এক বছরের কম বয়সি শিশু।

মৃত শিশুদের প্রায় সবাই টিকা না পাওয়া বা আংশিক টিকা পাওয়া ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদানের কভারেজ কমে যাওয়া এবং নিয়মিত সম্পূরক টিকাদান কর্মসূচি না থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ডব্লিউএইচও বলছে, ২০২৪-২৫ সালে টিকা কভারেজ কমে যাওয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় পর্যায়ে সম্পূরক টিকাদান কর্মসূচি না হওয়ায় রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

এছাড়া অপুষ্টি ও ভিটামিন-এ ঘাটতিজনিত জটিলতা শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অন্ধত্ব এবং এনসেফালাইটিসের মতো মারাত্মক ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park