দাড়ি রাখা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুশাসন নয়, এটি এখন বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত যে দাড়ি পুরুষদের জন্য উপকারী। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাত, আর আধুনিক বিজ্ঞান বলছে—দাড়ি মুখমণ্ডলকে রক্ষা করে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে।
ইসলামী চিন্তাবিদরা জানান, হাদিসে বারবার দাড়ি রাখার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। সহীহ বুখারিতে বর্ণিত হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, “গোঁফ ছোট করো এবং দাড়ি বড় করো, মুশরিকদের বিরোধিতা করো।”
অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, দাড়ি সূর্যের ক্ষতিকর UV রশ্মি থেকে মুখের ত্বককে রক্ষা করে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে এবং ঠান্ডা পরিবেশে তাপমাত্রা ধরে রাখে। এমনকি একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দাড়ি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধেও সহায়ক।
সামাজিকভাবে দাড়ি অনেক সময় আত্মমর্যাদা, প্রাপ্তবয়স্কতা এবং দায়িত্ববোধের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়।
সাধারণ মানুষ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মনে করেন, “দাড়ি রাখা শুধু ধর্ম পালন নয়, এটি আমাদের পরিচয় ও আত্মগর্বের প্রতীক।”
উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে মুসলিম পুরুষদের মধ্যে আবারও দাড়ি রাখার প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে।