1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরাইল-তিন দেশের ভিন্ন লক্ষ্যেই জটিল সমাধান – দৈনিক দেশেরকথা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ অধিবেশনে এমপির খাওয়াদাওয়ায় স্পিকারের ক্ষোভ কনটেন্ট ক্রিয়েটর হাসান নাসিমের জামিন মঞ্জুর ফতুল্লায় ফ্ল্যাটে অভিযান, ৩২০০ পিস ইয়াবা জব্দ; নারী পলাতক নারায়ণগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রমের প্রথম দিনের পরীক্ষা সম্পন্ন সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজার বিরুদ্ধে কোটি টাকা ঘুষ দাবির প্রমাণ মিলেছে সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল থাকবে বাসে সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা অফিস পেয়ে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, ছোটদের ‘না’ না বলতে পরামর্শ বিরোধীদলীয় নেতার আলমডাঙ্গায় সেতু আছে, রাস্তা নেই! ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পে নজিরবিহীন অব্যবস্থাপনা বেগমগঞ্জে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত নেতা মাওলানা বোরহান উদ্দিন

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরাইল-তিন দেশের ভিন্ন লক্ষ্যেই জটিল সমাধান

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি করলেও যুদ্ধের দ্রুত অবসান এখনো অনিশ্চিত। এর মূল কারণ, এই সংঘাতে জড়িত তিন প্রধান পক্ষ—Donald Trump নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র, Mojtaba Khamenei-এর ইরান এবং Benjamin Netanyahu-এর ইসরাইল—প্রত্যেকেই ভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সবচেয়ে বেশি পরিবর্তনশীল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার পক্ষে কথা বলেছেন, আবার কখনো পুরো শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। টানা বোমা হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আত্মসমর্পণ করেনি। এরই মধ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অগ্রগতির সম্ভাবনা থাকলেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও তেলের দাম বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কায় চাপ বাড়ছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে আগ্রহী হলেও কোনোভাবেই আত্মসমর্পণমূলক চুক্তিতে যেতে চায় না। তাদের প্রধান কৌশল সময়ক্ষেপণ এবং ভৌগোলিক সুবিধা কাজে লাগানো। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে একটি বড় কৌশলগত অস্ত্র, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে দেশটি। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হলে ভবিষ্যতে হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রয়োজন। যদিও বাস্তবে এসব দাবি পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবুও ইরানের কাছে সবচেয়ে বড় ‘বিজয়’ হবে এই সংঘাতে টিকে থাকা এবং নিজেদের শাসনব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা।

ইসরাইলের অবস্থান তুলনামূলকভাবে কঠোর এবং দীর্ঘমেয়াদি। দেশটি চায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার, ড্রোন প্রযুক্তি ও কমান্ড সেন্টারগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে। ইসরাইলের দৃষ্টিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সরাসরি অস্তিত্বের হুমকি। তাই তারা এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, যেখানে ইরান ভবিষ্যতে এসব পুনর্গঠন করতে ভয় পায় এবং জানে যে পুনরায় হামলার ঝুঁকি থাকবে।

সব মিলিয়ে, এই যুদ্ধের সমাধান জটিল হয়ে উঠেছে কারণ তিন দেশই ভিন্ন ফলাফল চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায় কৌশলগত সাফল্য ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা, ইরান চায় টিকে থাকা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আর ইসরাইল চায় দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই ভিন্ন লক্ষ্যই সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে এবং দ্রুত শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে কঠিন করে তুলছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park