ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৩.৬ মাত্রার এই কম্পনে মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নগরবাসীর মধ্যে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও
মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে হালকা ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। আজ ২৭ নভেম্বর রাত ৩টা ২৯ মিনিটে কক্সবাজার উপকূলে প্রায় ১৫১ কিলোমিটার দূরে ৪ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষক সংস্থা ভলকানো
ফিলিপিন্স ও জাপানে একই দিনে দুটি দেশই কাঁপল প্রায় ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ফিলিপিন্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের জলসীমার কাছে ৫.৯ মাত্রার
ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুই দিনের ব্যবধানে পরপর চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর সারা দেশে উদ্বেগ বেড়েছে। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি মাসেই আরও অন্তত ২০ বার কম্পন আঘাত হানতে পারে।
টানা ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) আজকের (২৩ নভেম্বর) সকল ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টার দিকে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলামের অনুমোদনে প্রকাশিত
প্রবল ঝাঁকুনির ভয় এখনও কাটেনি জনগণের মন থেকে। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর মাত্র সাড়ে ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে আরও তিনবার ভূমিকম্প অনুভূত
ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানা ৬.৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৪০ জন। দেশটির কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষের কারণে
সিলেট নগরী ও আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টা ১৯ মিনিটে হঠাৎ ভবন দুলে ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক, যা
রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯ এবং
আফগানিস্তানে রবিবারে আঘাত হানা ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৪০০ ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন। দুর্গম এলাকা হওয়ায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে