রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার বিচারপতি মোহাম্মদ আলী এবং বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আপিলগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত জেল আপিল গ্রহণ করেন।
এর আগে মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় প্রতিবেশী সোহেল রানার বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৮ বছর বয়সী রামিসা আক্তারের শিরশ্ছেদ করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পরদিন রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে এবং মাত্র ছয় দিনের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরবর্তীতে ১ জুন মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।
মামলার শুনানিকালে রামিসার পরিবারের সদস্য, প্রত্যক্ষদর্শী, চিকিৎসক, পুলিশ কর্মকর্তা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।