1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩: সেরা চলচ্চিত্র ‘সাঁতাও’, সেরা অভিনেতা আফরান নিশো হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ লক্ষ্মীপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুর কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন প্রান্তিক গ্রাহকদের স্বস্তি, আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সুযোগ ফিরতে পারে সুধারামে মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ ঈদের রাতে আতশবাজির লোভ দেখিয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর

সুন্দরগঞ্জে তিস্তা ভাঙন কবলিত পরিবারের খবর নিচ্ছেন না কেউ

মোঃ হযরত বেল্লাল
  • প্রকাশ সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নে উত্তর লালচামার গ্রামে তিস্তার ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর খরব নিচ্ছেন না কেউ। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী ও উপজেলা নিবার্হী অফিসার এসে একদিন পরিদর্শন করে গেছেন। এরপর আর কেউ খবর নিতে আসেন নাই, দাবি এলাকাবাসিসহ ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের। এলাকাবাসি বলেন, গত এক মাসে তিস্তার ভাঙনে কমপক্ষে ১০০ পরিবারের বসতবাড়ি এবং প্রায় ২০০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে হেছে। ভাঙনের মুখে অন্তত ৩০০ পরিবারসহ ৫০০ শতাধিক ফসলি জমি। সরকারিভাবে এ পর্যন্ত ৩৯ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং ১০টি পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।    

      সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা , হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি, স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ, ড্রেজিং, নদী খনন, ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারণে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি, হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। সরকার কোটি টাকা খরচ করে ব্লক, জিও ব্যাগ এবং জিও টিউব ফেলেও ভাঙন ঠেকাতে পারছে না।

          কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাশিয়া লালচামার গ্রামের ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১৫দিন হতে ভাঙন কবলিত পরিবারের খবর কেউ নিচ্ছেন না। পানি উন্নয়ন বোর্ড ৩৯ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলছে। কিন্তু ওই এলাকায় প্রায় ২০০মিটার জুরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তার দাবি ৩৯ মিটারে জিও ব্যাগ ফেলে কোন কাজ হবে না। ভাঙন ঠেকাতে গেছে গোটা ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে হবে।            

          কাপাসিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া বলেন, তার ইউনিয়নের উত্তর লালচামার গ্রামে তিস্তার তীব্র ভাঙনে ১০০টি পরিবারের বসতবাড়ি ও শতাধিক একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। স্কুল, মসজিদসহ ভাঙনের মুখে শতাধিক পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। সরকারি ভাবে তেমন সারা পাওয়া যাচ্ছ না। পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

           হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন, ড্রেজিং, স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।

 উপজেলা নিবার্হী অফিসার রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সরকারি শুধুমাত্র ১০টি পরিবারকে শুকনা খাবার দেয়া হয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে।  

         গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। তবে স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উপর মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park